- 9
- 0
বিজয়ী
জগু পালোয়ান কসরত করছে, কুস্তি লড়বে বলে,
গোঁফের উপর তা দিয়ে বলছে, “ জিতবই বলে বলে,
পুচকা চিংড়ি পারবে নাকি, আমার সাথে লড়তে,
মাংস নেই গা’য়ে একটুও, সত্যি কথা বলতে”।
জড়ো সবাই ফুটবল মাঠে, কুস্তি যেদিন হবে,
বেশির ভাগেরই প্রশ্ন মনে, চিংড়ি লড়েছে কবে?
দেখতে দেখতে ভীড়ের মেলা, মাঠের চারিধারে,
পসার সাজিয়ে পসারিরা সব, কেনা-বেচা করে,
গোপাল খুড়ো রেফারী হয়েছেন, বিনা ভয়ে ডরে।
প্রথম থেকেই গজু পালোয়ান, চিংড়িকে চেপে ধরে।
চিংড়ির হলেও দফারফা, হাল তবু না ছাড়ে,
রোগা মেনেও মনের জোরে, খোঁজে বুদ্ধির ভাঁড়ারে,
ভাবছে যখন জগু পালোয়ান, জিতছিই আমি সুখে,
চিংড়ি তখন হঠাৎ করে, বমি করলো মুখে,
বমির গন্ধে গজু পালোয়ান, যেই না হাত ছেড়েছে,
খপাৎ করে চিংড়ি টেনে, ধুতিটা খুলে ফেলেছে,
গজু পালোয়ান যেই বসেছে, নাকে হাতটা দিয়ে,
পুচকা চিংড়ি সেই সুযোগে, বসলো বুকে গিয়ে,
সব লোকেরা হাততালি দিয়ে, “চিংড়ি জিতেছে” বললো,
সবার কথা মেনেই গোপাল, বিজয়ী ঘোষনা করলো।
0 Comments.