- 8
- 0
চুলের যত্ন
আগেকার দিনের মেয়েরা ঘরে থাকতেন, অনেকটা সময় প্রতিদিন দিতেন চুলের জন্য। রোজ নিয়ম করে তেল মাখা, ভালো করে আঁচড়ানো, টাইট করে বেঁধে রাখা এসব করতেন মোটামুটি সবাই। দেখা যেত অনেকেরই একঢাল লম্বা চুল। দিন বদলেছে। এখন ব্যস্ততার কারণে প্রতিদিন সেভাবে চুলের যত্ন নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে সবাই চায় চুল যেন ঝলমলে সুন্দর থাকে।
প্রথমেই যেটা দরকার, সঠিক হেয়ারকাট। যাকে যেমন মানায়; বয়স, পেশা, মুখের গড়ন অনুযায়ী চুল কাটতে হবে। এজন্য অবশ্যই এক্সপার্ট পার্লারের সাহায্য নিতে হবে। খুব বেশি হলে দু-তিন মাস অন্তর ট্রিম করতে হবে।
এবার আসি চুলের সৌন্দর্য রক্ষা। স্যালোঁ তে গিয়ে মাঝে মাঝে স্পা করা খরচ সাপেক্ষ তো বটেই অনেক সময়, সময়েরও অভাব থাকে।
প্রতি মাসে দু'বার এভাবে ঘরেই যত্ন নেওয়া যায়—
একটা তেল তৈরি করে রাখলে ভালো হয়
(ভার্জিন কোকোনাট অয়েল+ কারিপাতা + জবাফুলের লাল অংশ+ মেথি+ আমলকি, একসঙ্গে ভালো করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে)
তেলটা একটু গরম করে ভালো করে চুলে মাখতে হবে। কারো কারো আমার মতো তেল মোটেও সহ্য হয় না। তারা তেল বাদ দিয়ে বাকি উপকরণ জলে ফুটিয়ে তারসঙ্গে এলোবেরা পাতার জেল মিশিয়ে মাখতে পারেন। এবার কয়েকঘন্টা পর ভালো কোন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। ভালো কোম্পানির স্পা ক্রিম স্কাল্প ছাড়া পুরো চুলে ছোট ছোট অংশ নিয়ে মাখতে হবে। সব চুলে মাখা হলে মাথার ওপর একজোট করে একটা শাওয়ার ক্যাপ লাগিয়ে নিতে হবে। পনের মিনিট পর একটা তোয়ালে গরম জলে ডুবিয়ে, চিপে মাথায় জড়িয়ে, এভাবে বারতিনেক করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। সোজা চুল যাদের শুকিয়ে নিয়ে ভালো করে আঁচড়াবে আর কোঁকড়াচুলে পুরো শুকোনোর আগে মোটা দাঁড়ের চিরুনিতে হালকা আঁচড়াবে, তারপর আর চিরুনি দেবে না। কোথাও যাবার থাকলে হেয়ার সিরাম ব্যবহার করা যেতে পারে।
এখন চুল খোলাই থাকুক আর কান তৈরি থাকুক প্রশংসা শোনার জন্য।
0 Comments.