- 6
- 0
গ্রীষ্মকালীন ত্বকের যত্নে ঘরোয়া প্রয়োগ
গরমে সবথেকে বড় ত্বকের শত্রু হল রোদ। রোদে বেরোলে চামড়া পুরবেই। তারওপর ঘাম হলে বারবার রুমালে ঘাম মোছার জন্য মুখের চামড়ায় আঁচড় লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু রোদের ভয়ে ঘরে বসে থাকা তো অসম্ভব। যে ব্যাগ নিয়ে বেরোচ্ছি সেই ব্যাগটা আগে গোছানো দরকার।ছাতা, সানগ্লাস এবং ফেস টাওয়াল বা রুমালের সঙ্গে মুখ মোছার জন্য ব্যাগে রাখুন পুরোনো পরিষ্কার নরম সুতির শাড়ির টুকরো।দিদা ঠাম্মারা যেমন কাপড় পরে আরাম পান, তেমন কাপড়।বাড়ি থেকে বেরোনোর কুড়ি মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখতে হবে। স্বাভাবিক অথবা শুষ্ক ত্বক যাঁদের, বাড়ি ফিরে টকদই আর বেসনের প্যাক কিছুক্ষণ রেখে ধুতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বলব অ্যালোবেরা পাতার জেল অংশ নিয়ে মুখে,গলায়, ঘাড়ে, হাতে মাখা যেতে পারে, রোদে পোড়া কালো ছোপ খুব ভালো চলে যায়।দুধের সর মাখলেও খুব উপকার হয়, তবে তৈলাক্ত ত্বক হলে মাখা যাবে না। প্রতিদিনের এই রুটিনের পর সপ্তাহে একদিন ঘরোয়া স্ক্রাব হিসাবে মধুর সঙ্গে চালের গুঁড়ো মিশিয়ে মুখে,গায়ে মেখে, মিনিট পনেরো পর জল হাতে ভালো করে ডলে ধুয়ে ফেলতে হবে। স্ক্রাবিং এর পর অবশ্যই ময়স্চারাইসার মাখতে হবে। ময়স্চারাইসার হিসাবে গ্লিসারিন + গোলাপজল অথবা নারকেল তেল এবং জল ১:২ অনুপাতে ভালো করে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
যাঁদের ব্রণ হয় মুখে, গরমে বেশি হয়। সপ্তাহে কম করে তিনদিন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে হবে। খুসকি থাকলে উপযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে কারণ, মাথায় খুসকি হলে মুখে ব্রণ হবেই। তৈলাক্ত ত্বকে দিনে বেশ কবার জল দিয়ে মুখ ধোওয়া উচিত। দুবার ফেসওয়াশ দিয়ে।
প্রচুর জল, ফলের রস প্রতিদিন খেতে হবে কারণ, শরীরে জলের ঘাটতি হলে ত্বক জৌলুস হারায়।
এগুলো মেনে চললে গরমেও ত্বক হাসবে বসন্তের মতো।
0 Comments.