- 8
- 0
আগামীর প্রতি সারাদিনের সূর্য
নামটা হঠাৎ লিখে ফেললাম - কি লিখব,কি লিখব ভাবতে ভাবতে। সারাদিনের সূর্যই একমাত্র পারে পরের দিনের সকালের কাছে নিজের অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে। নিজের সারাটা দিনের অভিজ্ঞতায় একটাই কথা দেখছি বলার মতো - সকলের রাজনৈতিক ভাবনা চিন্তা করা উচিত নয়। আগামীর ছোট ছোট বন্ধুদের কাছে অনুরোধ - নিজের পায়ে দাঁড়াবার আগে কেউ রাজনৈতিক ভাবনা চিন্তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ো না। কেননা (১) প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষ হিসাবে সমাজে সম্মান পাওয়া যায় না। (২) প্রতিষ্ঠা ও অর্থ -সম্পদ ছাড়া মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। জ্ঞানী,গুণী, শিল্পী, সাহিত্যিক কেউই এই দুটো ছাড়া সম্মান পায় না ।(৩) ছাত্র জীবনে রাজনীতি একটা বড় আদর্শ মনে করা হতো। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে ব্যক্তিগত দক্ষতা একমাত্র কাম্য।( ৪) বিগত শতাব্দী ও বর্তমান সময় পর্যন্ত একটা বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট - বিশ্ব থেকে যুদ্ধকে বিদায় দেওয়া যাবে না কোনো ভাবে । বিশ্বের প্রথম সারির রাষ্ট্রগুলো নিজের স্বার্থে যুদ্ধ বাঁধায় এবং যুদ্ধ করে। এমনকি যেকোনো দেশের অভ্যন্তরে শান্তি ও সমৃদ্ধি বিঘ্নিত করে।(৫) বড় বড় রাষ্ট্র বিশ্বশান্তি, গণতন্ত্র,মানবতা এই সব আদর্শের কথা বললেও বাস্তবে তারা এ সবের ঘোর বিরোধী। (৬) উন্নয়নশীল কোনো দেশের রাজনীতি সেই দেশের রাজনৈতিক নেতাদের পরিকল্পনায় পরিচালিত হয় না । বেশিরভাগ সময় বাইরে থেকে টাকা ঢুকে সব হিসেব নিকেষ বদলে দিতে চায়। (৭) একমাত্র নির্বোধ বোকা আর চরম ক্ষমতা লোভী, স্বার্থপর, প্রতিহিংসা পরায়ন ছাড়া কেউ রাজনৈতিক ড্রাগ নেয় না। (৮) নখ,দাঁতহীন শাসক হতে পারে না। হিংসা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়া কেউ রাজনৈতিক দল করে না। সেবার জন্য রাজনীতিতে আসা একটা চূড়ান্ত ভণ্ডামি।
একমাত্র সুস্থ কেউ যদি থাকেন, তিনি আধ্যাত্মিক মানুষ নয়তো ভিখারী, নয়তো তিনি ঘর-সংসার ও রান্নাঘর প্রিয় গৃহবধূ।আর যতদিন কোনো ছাত্র ছাত্রী রাজনৈতিক চিন্তায় বিশেষিত না হয়ে একমাত্র লক্ষ্যে অবিচল থেকে এগিয়ে চলেন,তারাই। এই ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে পড়েন ডাক্তার,গবেষক,বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদ। মানুষের মহত্ব,শিশুত্ব,মানবিকত্বকে ধ্বংস করছে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি,যা থেকে রাজনৈতিক দলগুলো কখনোই বেরিয়ে আসতে পারবে না। AI এর থেকেও ভয়ঙ্কর এই রাজনৈতিক নেশা। একবিংশ শতকে মানুষের একমাত্র শান্তি হরণকারী বিষয় হয়ে উঠছে রাজনীতি,যা থেকে সাধুসন্তরাও মুক্ত থাকতে পারছেন না ।
২৩ জুন ২০২৬
0 Comments.