- 3
- 0
হৈমবতীর হৃদয় বৃত্তান্ত
২
একটু বয়স্ক কিন্তু অভিজাত চেহারার এক মহিলা পা চালিয়ে বেরিয়ে এলেন ভিতরের একটা ঘর থেকে।
-- কি ব্যাপার মায়া , এত জোর গলায় কথা কেন?
হৈমকে দেখে একটু থমকে গেলেন ভদ্রমহিলা।
তারপর মোলায়েম হেসে বললেন, " বলুন ম্যাডাম। কি করতে পারি আপনার জন্যে। "
তসরের শাড়ি আর থ্রি কোয়ার্টার স্লিভের ব্লাউজে দারুন মানিয়েছে মহিলাকে।
এক ঝলকে কানের দামি মুক্তোদুটো দেখে মুগ্ধ হয় হৈমবতী। এগুলো ঝুটো নয়। বোঝা যাচ্ছে।
রুচিশীল এবং অর্থবান মানুষ। হোটেলের মালিক কি?
গলাটা নেমে আসে হৈমর।
-- দেখুন আমি এত টায়ার্ড। একটু তাড়াতাড়ি রুমে লাগেজটা পৌঁছে গেলে ভাল হয়। দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়।
-- নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই। মায়া, ম্যাডামের রুমের চাবি দাওনি এখনো?
রিসেপশনিস্ট মহিলা তাড়াতাড়ি একটা চাবি এগিয়ে দিয়ে, একজন স্টাফকে ডাক দেয় সুটকেস নিয়ে যাবার জন্যে।
সেই ঝকঝকে ভদ্রমহিলা হেসে কাউন্টার ছেড়ে এগিয়ে আসেন হৈমবতীর দিকে ।
-- বসুন না সোফায় ততক্ষণ। একটা ফ্রেস লাইম সোডা দিতে বলি ?
এটা আমাদের তরফে ওয়েলকাম ড্রিংক। আপনাকে ত ক্যাফেইনযুক্ত কিছু অফার করা ঠিক নয়, তাই না ?
বিগলিত হৈমবতী বসেই পড়ে।
আর বসেই নিজের পিঠের নিচের দিকে হাত দিয়ে ভাবে, আহ, বাঁচলাম।
0 Comments.