Wed 28 October 2026
Cluster Coding Blog

ধারাবাহিক গল্পে সোনালি শেষ পর্ব

maro news
ধারাবাহিক গল্পে সোনালি শেষ পর্ব

১১

রাত তিনটেয় ডাক্তার রনদেব আর কলাবতী দেবীকে বেবি দেখতে ডাকলেন। 

খুব লাল, আর বুড়ো মানুষের মত গম্ভীর মুখের ছোট্ট একটি মানুষ, সেই, হৈমবতীর ছেলে। 


হৈমবতী ক্লান্ত গলায় বলল, ভাগ্যিস আপনারা ছিলেন। 


রনদেব কানের কাছে ঝুঁকে বলল, মাকে বলি। 

চোখ বড় হয়ে গেল হৈমবতীর, কি বলবে ? 


–আহা সব কিছু না। কিন্তু তুমি যে আমায় বিয়ে করতে রাজি হয়েছ সেটা ত বলি ?   


চোখের কোনে জল গড়ায় হৈমর, ইউ রিয়ালি মিন ইট? 


—মানে? 


– আমি ভাবলাম পেইনের কষ্ট দেখে সান্ত্বনা দিতে বলেছ।

 


খুব চটে গিয়ে ও চেঁচাতে পারে না রনি। 

এত কষ্ট পেয়েছে মেয়েটা। 


খালি বলে, এরপর আর কখনও এরকম কথা বোলো না। আমি তোমাকে ভীষণ ভালবাসি । 

আর ..

এই পুচকেটাকেও । 


এর মধ্যে ,কলাবতী শাড়ির ওপর হাসপাতালের গাউন গলিয়ে পুচকেকে কোলে নিয়ে মায়ের পাশে এসে দাঁড়ান। 


কই, কি নাম রাখবে ছেলের ? 


চোখাচোখি করে রনি আর হৈম। 


তারপর রনি আস্তে আস্তে বলে, তোমাকেই যদি নাম রাখতে বলি মা ? 

হৈমবতী যদি তোমার বউমা হয়, তুমি কি রাগ করবে ?  


এক গাল হেসে ছেলের দিকে ঘোরেন কলাবতী, আমি জিতলাম কিন্তু বেটে। হুঁ। 


অবশ্যই খুশি হব। আফটার অল, হৈম ত আমার সঙ্গেই আড্ডা দেয় সারাক্ষণ। 


বলতে বলতে চোখ ছলছল করে এল শক্ত মানুষটির।

 আজও তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন হৈমবতীকে। 

রনদেব পিছনের সিটে বসে থেকেছে ছটফট করতে থাকা হৈমকে নিয়ে। 


–আমি নাম দেব ? হ্যাঁ, দেব বৈকি। আমারই নাতি ত। 

হৈমবতীর পুত্র, সকলের আগে যার পুজো দিতে হয়, আমার রনদেবের ছেলে, আদিদেব। 


একটু সামলে ওঠো নতুন মা। 

তোমার মা ও ফিরুন হিমালয় থেকে। 

আমি মস্ত একখানা পার্টি দিই। 

তোমাদের বিয়ের, আর আমার নাতি হবার ও। 


 

তবে হ্যাঁ, এখুনি যেন তুমি আবার সে পার্টি সুপারভাইজ করতে ব্যস্ত হোয়ো না।

Admin

Admin

dsaf  

0 Comments.

leave a comment

You must login to post a comment. Already Member Login | New Register