- 8
- 0
সম্পাদকীয়
আমার বাবার এক বন্ধুর জার্মান বৌ ছিলেন,িতনি ইলিশের তেল দিয়ে,কাচাঁ লংকা দিয়ে ভাত খেতে ভালবাসতেন ! রোববার নিয়ম করে যীশুর বাড়ী যেতেন,১৪ শাক খেতেন,১৪ বাতী দিতেন । পুজোতে শাড়ী কিনতেন,বিজয়ায় নাড়ু বানাতেন।
তাঁর বরটি যেমন বরেরা হয় তেমনই। যীশু পুজায় পৈতে দেখাতেন আর পুজোর শাড়ীর বেলায় যীশুর চার্চ।
মেমসাহেব রেগেমেগে সব মানতেন,সব বিচার, সব আচার । বিদেশিনী শাড়ীর সাথে জ্যাকেট পড়তেন আর ট্রাউসার আর সার্টের সাথে শাখা, পলা । দিব্যি লাগত তাঁর জার্মান অঙ্গে ।
হেলোয়ীনের বিষাদ মেটানো আলো আর দীপাবলীর আলো মিলিয়েছিলেন এই বিদেশিনী....!
আলোর আর রঙের রেখা ভাগ মানে না।
আমাদের দেশের গোলাপী শালুক আর ওদের দেশের গলানো সোনা রঙের কুমড়ো । শালুক জ্বালে রাঙা আলো, কুমড়ো জ্বালে সোনার আলো । নিজেরাই সেজে ওঠে নিজের খেয়ালে ওই মেমসাহেবের মতো।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।
ইন্দ্রাণী ঘোষ।
0 Comments.