- 11
- 0
আশ্রয়
চাদরের তলায় খুনসুটি করা দুজন প্রাপ্ত বয়েস্ক মানুষ। এরা একজন দীপার সম্পর্কে মাসী, আরেকজন মামা।
তখন দীপার বয়েস ১২-১৩ হবে।
মামা মানেই আবদার ছিল খুব! কিন্তু মাস্তুত ভাইএরা কাকা বলে ডাকত!
দীপা এসব বুঝত না।
মামা সব বাজার দোকান করে নিয়ে আসত, খবরের কাগজের ডিস্ট্রিবিউটার ছিল। টিউশান পড়াত, সব মিলিয়ে ভালোই চলত।
দীপার নিজের মামা ১৬ বছর বয়েসেই গত হয়েছিলেন।
তাই মামা বাড়ির আবদার বলতে দিদা আর মাস্তুত ভাইএরা। আর ছিল দেব দুলাল মামা। মা কালির ভক্ত ছিলেন।
সব সমাস্যার সমাধান বাতলে দিতেন।
দীপার বাবা বলতেন লাগলে তুক,না লাগলে তাক।
মাসীর বর, মানে মেসোমাশাই ছিলেন গুড ফর নাথিং!
বসে বসে জ্ঞান দিত আর ঘুমটিতে বসে মাঝে সাঝে লটারির টিকিট বিক্রি করত!
চার ছেলে লেখাপড়ায় লবডঙ্কা! অথচ পেট ত ভরাতে হবে!
এই দেব দুলাল মামা আসলে দীপার সেই নিস্কর্মা মেসোর বন্ধু।
নিজে সংসার চালানোর অক্ষমতা ঢাকতে এই অবিবাহিত মামা কে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেয়!
সেই মামাকেই দীপার মাসী নিজের আপন করে নেয়,মানে শরীরে আশ্রয় দেয়।
এখানে পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। দীপার মাসী ঠাকুরপো বলতে অজ্ঞান।
অনেকেই এই বিষয়ে ফিসফিস করে কথা বলে!
কিন্তু দীপা আজও মাসীর কোনো দোষ খুঁজে পায় না!
0 Comments.