- 11
- 0
আগের সংখ্যার (১৩.০৯.২০২৬) পাঠ প্রতিক্রিয়া...
দেব কুমার মুখোপাধ্যায়ের "শিশুর প্রশ্ন", আশীষ কুমার চক্রবর্তীর "আজব প্রশ্ন", অনুপ কুমার দাসের "ইঁদুর ব্যাটা, "দিপ্তেন্দু চ্যাটার্জির" কাগজের নৌকা", তপন মাইতির "রূপকথা" শুধু ছোটদের জন্য নয়, বড়দেরও মন কেড়ে নেয়। মনিরুল আলমের "মা ও খোকা" আবেগ জড়িত কবিতা আগের মতই আকর্ষণীয়। অশোক কুমার ঘোষের ধারাবাহিক -ভূতের গল্পে ( হামদো আর মামদো) হাস্যরসের চাদর পেতে দিয়েছেন। আমরা বেশ গড়াগড়ি খাচ্ছি। অশোক কুমার ঘোষের "হড়পা বানে"
কবিতায় সাম্প্রতিক নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয় স্মরণে আসে। অভিজিৎ দত্ত কাজী নজরুল ইসলাম সম্বন্ধে যা লিখেছেন তার উপর ভিত্তি করে - কবি নজরুলকে আমরা - এ যুগের মহাকবি বলতেই পারি। সৌমেন কর্মকারের "সবুজ পৃথিবীর
শপথ" লেখায় শিশুদের মাধ্যমে যে প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে তা অতুলনীয়। এরকম লেখা সচরাচর পাওয়া যায় না। মনে পড়ে যায় সুবোধ ঘোষের ফসিল, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক, তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের "হাঁসুলি বাঁকের উপকথা"।
দীপঙ্কর বৈদ্যের "জয়ীর জয়যাত্রা" গল্পে নারী শিক্ষা ও সাহিত্যের প্রতি টান
দেখিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করেছেন। রাজকুমার ঘোষের ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস - "বিট্টুর সঙ্গী" রহস্যের গন্ধ তো আছেই। উন্নত দেশ জাপান সম্বন্ধে মূল্যবান তথ্য উপরি পাওনা। অংশুদেবের তথ্যসমৃদ্ধ লেখা "ট্রফি মিথ্যে নয় সত্যি নয়"
মিলিটারি চরিত্রের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সমীরবরণ দত্তের "জাপানি বন্ধু" কল্প ভাবনা বা ফ্যান্টাসি আইডিয়া - বিজ্ঞানমনস্ক ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্ভাবন ও আবিষ্কারের প্রেরণা যোগায়। সব সাহিত্যিকদের লেখা ও প্রেরণামূলক সম্পাদকীয় নিয়ে এবারের "হৈ চৈ পোর্টাল" উন্নত মানের হয়েছে।
0 Comments.