Mon 21 September 2026
Cluster Coding Blog

হৈচৈ কল্প কথায় সমীর বরণ দত্ত

maro news
হৈচৈ কল্প কথায় সমীর বরণ দত্ত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিজ্ঞান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিজ্ঞান সাধক না হলেও তিনি ছিলেন বিজ্ঞান অনুরাগী। এই বিজ্ঞানুরাগী হবার প্রধান কারণ - ছিল তার শৈশব। কেমন ছিল তার শৈশব? রবীন্দ্রনাথের নিজের ভাষায় - "ভোর অন্ধকার হইতে উঠিয়া লেংটি পরিয়া কানা পালোয়ানের সঙ্গে কুস্তি করিতাম। তারপর সেই মাটি মাখা শরীরে পদার্থবিদ্যা, জ্যামিতি, গণিত অধ্যয়ন করিতাম। রবিবার সকালে গনিতের ক্লাস। মাঝে মাঝে রবিবারে বিজ্ঞানের আলাদা 

ক্লাস। দুধের মধ্যে যে জল আছে - দুধ জাল দিয়া বুঝতে পারিলাম।

বিজ্ঞানের ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই আগ্রহের জন্য আমরা পাই তার বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা বিশ্ব পরিচয়। এখনো পর্যন্ত বাংলা ভাষায় লিখিত বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ। তিনি ইউরেনাস গ্রহ সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য দিয়েছেন। এইসব তথ্য তিনি পেলেন কোথায়? 

রবীন্দ্রনাথ নিজে বলছেন - "এ ঘর ও ঘর থেকে সংগ্রহ করে। অর্থাৎ তিনি সায়েন্স জার্নাল পড়তেন। বিজ্ঞানমূলক লেখায় তিনি নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করতেন। যেমন আমরা জানি পৃথিবী নিজের কক্ষে লাট্টুর মতন পাক খেয়ে - ঘুরে ঘুরে একটু করে ছিটকে যায়। তিনি বলেছেন এটা দরবেশ চাল। মেডিকেল কলেজে তিনি আসতেন। শব ব্যবচ্ছেদের ঘরে টেবিলের উপর রাখা এক বৃদ্ধের মৃতদেহ। তার মনে তেমন চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল না। কিন্তু মেঝের উপর পড়ে থাকা - একখণ্ড কাটা পা দেখে চমকে উঠলেন। আবার এই বিজ্ঞান যে অভিশাপ রূপে দেখা দিতে পারে। জানা যায় তার - "পক্ষীমানব" কবিতায়। ১৮. ৯. ২৬.

Admin

Admin

dsaf  

0 Comments.

leave a comment

You must login to post a comment. Already Member Login | New Register