দিব্যি কাব্যিতে সৌরভ বর্ধন

নরকবাস

আমাদের নরকবাস স্বাভাবিক হচ্ছে আরও।
আমরা কোনো জ্যামিতিক চিত্রের পাশে
শুইনি কোনোদিন
লাঠিপেটা চেহারা নিয়ে চারিদিকে ছিটিয়েছি থুতু।
ঘেন্নায় সংরক্ষণ জরুরি করেছি। খণ্ড খণ্ড।
আমাদের স্বত্তাকে ইস্তেহারিক ভেবে
পোড়া মেঘ উড়ে গ্যাছে ধিকিধিকি ———
আমি বিভিন্ন ফুলগাছে একসাথে ফল আঁকি
বিভিন্ন করাতকল একসাথে চিরে নিই খাবারে
পিছলে যাই, ফিরে আসি, এসে বলি আয়
ভক্তি আয়
লাক্ষা জ্বালাই, গদগদ হই ছিঁড়েখুঁড়ে।
চাষাদের মতো শাঁখের মালা, পুঁতির থলে
তারামাছের বাজু উপহার দিই
আর দোল মাখি দোয়েল পাখি।
জানি অ্যালভেরা দিয়ে কেউ কথার শীত করলে
তুমি তাকে ওম দিয়েছো;
জানি অবচেতন একটি অস্থির পুরুষ
———– তবুও তাকে জন্ম দেওয়া শিল্পেরই কাজ।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!