মার্গে অনন্য সম্মান প্রণতি গায়েন (সেরা)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার

পাক্ষিক কবিতা প্রতিযোগিতা – ২৫
বিষয় – চড়ুইভাতি

শৈশবের চড়ুইভাতি

জীবন সায়াহ্ন এসে প্রত্যাশার অক্টোপাস নয়,
শুধুই নীল নীলিমা দুহাত ভরে দেওয়া।
অশান্ত অধীর ঢেউয়ের বুকে শান্ত নাবিক হয়ে,
মাপতে হয় আক্ষরিক সমুদ্রের গভীরতা।
অতীতের স্মৃতি পটে হারানো শৈশব,
বিচার এক একটা সুর তাল ছন্দ’
ভাসিয়ে নিয়ে যায় স্নিগ্ধ প্রতিভার অন্বেষণে-
পৌষের সেই সাতরঙা শান্তি নিকেতনী অভিবাদনে।
এক উচ্ছল স্নিগ্ধ হাওয়া ঢোকে’আমার কুটির” এ,
এক শীতের চড়ুইভাতির খুনসুটি আনন্দে মেতে ওঠে ছাতিমতলা।
হৈ-হৈ চঞ্চল জীবনস্পন্দনে ভুলে যায় সময়,, ভুলে যায় চোখরাঙানী শাসন,
শুধু ই এক স্বাধীন মুক্ত আকাশ আর আমরা কজন।
সারাদিন রান্নাবান্না, গান নাচে কেটে যায় প্রহর, কেটে যায় জীবনের আনন্দ উচ্ছ্বল দিন,
গোধূলির সূর্যাস্ত যেন বিরহের অনাবিল সুর এনে
চড়ুইভাতির স্মৃতি কে করে আরো প্রকট।
কেটে গেছে বহু সময়, বয়ে গেছে জীবনের বহু জলস্হর,
তবুও সূর্যাস্তের একমুঠো উড়ন্ত লাল ধূলো মেখে,
নিতে চাই সেই অতি পরিচিত সোঁদা মাটির ঘ্রাণ,
আর আমার শৈশবের উচ্ছল হাওয়ায় ওড়া স্নিগ্ধ মন!
যা আজ ও হিসেবের বিষন্নতা পুরোটাই স্মৃতিচারণ।
তাই তো বার্ধক্যের অতিবাহিত চলমান স্রোতে,
বারবার মন চাই -একমুঠো বীরভূমের মাটি,
মাথায় ছোঁয়াক চড়ুইভাতির স্বর্গসুখের আভাস!
দিয়ে যাক জীবন সায়াহ্নে এক মুঠো উচ্ছ্বাস।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!