হিন্দোল ভট্টাচার্যর গুচ্ছ কবিতা

ক্ষতস্থানগুলি


হয়তো কিছুর কোনও মানে নেই, ধাবমান পৃথিবী উদাসী
মহাকাশ টুপটাপ্ খুলে পড়ে যাচ্ছে আর ছুরিকাঁচিতুলো
মধুগীত ছেড়ে ভয় পাক খায় পাক খায় অনিশ্চিত চোখ
হাঁউমাউ চি ৎ্কার করে এ মোহ যৌবন গেল রাধাকৃষ্ণ ব’লে


পাথরে শুকিয়ে রাখা নামে কী খড়খড়ি খোলা শব্দ ডুবে আছে?
বুকে যে জন্তুর শব্দ, চুপিচুপি পা ফেলেছে হেমন্তপাতায়
কে আর কবিতা বোঝে, দেখি সুট পরা এক এমআইবি মানুষ
কয়েকশো মাত্রায় ঘুরে নিজস্ব আয়নায় ভাবছে এ কার কুটুম!


থাকিনি কখনও গ্রামে, মাথার উপরে ওড়ে ভূতুড়ে বাদুড়
তবে কি মশারি ভালো? কে আমাকে বাঁচাবে, বিরহ?
কোথাও লক্ষ্মণগণ্ডী নেই আর, ভাগাড়ের মাংস চেটে খাও-
খবরকাগজ দিয়ে ঢাকা আছে কিশোরীর আঘাতসমূহ


যা কিছুই দেখা সব উঁচু থেকে, পাখিচোখ, কলকাতা শহর
কী লাশ রয়েছে পড়ে, কয়েকশো আঘাতচিহ্ন, হায় কল্লোলিনী
এই কি ফাল্গুনরূপ? খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আর কত রক্ত হবে?
যে আসে, লালসা খায়, ঢেকে রাখো তবু, ওড়ে দেহাতি শকুন

Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!