কবিতায় সত্যদেব পতি(নীল ধ্রুবতারা)

তুমি অরুন্ধতী
সাহিত্য আকাশের অরুন্ধতী হয়ে তারাদের রানী হয়ে থেকো সহস্রকোটি নক্ষত্র পুঞ্জের আলোক মালায়।
আমি দুর থেকে ই না হয় তোমার ঔজ্জ্বল্যতা দেখবো আমার দক্ষিণ দুয়ারে-
প্রেমের আসন পাতা থাক হৃদয় মন্দিরের খোলা বাতায়নে,
সময় করে এসে একটু দখিনা বাতাস নাও তোমার সুখের আঁচল ভরে;
মহাসাগরের জলোচ্ছ্বাস নয়তো উত্তুরে হাওয়া হয়ে আসবো তোমার চোখের পাতায়,
শিশির ভেজা ভোর বেলায় দুহাতে কুড়িয়ে নিও ঝরা শিউলি,
মেঘহীন আকাশ জুড়ে নীলিমার নীল ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবে অরুন্ধতীর ধ্রুবতারা-
মেঘবরন কালো চুল এলিয়ে দিও কোনো বর্ষালী রাতের কুহেলিকাতে…
আমি বৃষ্টি হয়ে ভিজিয়ে দেবো তোমার বৈশাখী মন-
যখন জৈষ্ঠ দহনে পুড়বে মন দাউ দাউ করে বহ্নীমান হবে হৃদয়,,,,,
তখন আমি শ্রাবণধারা হয়ে স্নাত করবো সবার অলক্ষ্যে।
আসবে শরৎ মেঘের ভেলায় ভেসে চৈতালি চাঁদ,
আমার পৌষালী রাত হবে জোছনা ঝরা শীতলতার আমেজ;
হেমন্ত শিশির মেখে গা ভিজিও সোনালী ধানশীষে,
শীত পেরিয়েছে তাই মনের বাগানে পুঞ্জরিত হবে বকুল মঞ্জুরি!
পথ প্রান্তরে ফুটবে পলাশ শিমুল-
হাজারো অলির সমাবেশে ফুল মঞ্জরী ছড়িয়ে পড়বে দিগ-দিগন্তে;
মধুপের মিতালী মাখা সোহাগী প্রেম আসবে সেই বসন্ত বিলাস মেখে,
সবার পিছনে প্রেমকে আলিঙ্গন করবে মুমূর্ষু প্রেমিক জনাস্তীকে,
দুইগালে টোল ফেলা হাসি আর এক আকাশ ভালোবাসা নিয়ে চোখের তারায় থাকবে একটাই ছবি,,,,,
সেই ছবিটি হবে ধ্রুবের অরুন্ধতীর।