ধারাবাহিক ভ্রমণ সিরিজে শতদ্রু ঋক সেন – ১০৯

ফেরা
দরজা খুলতেই সামনে শর্মাজী।
আরে আপনি এতো রাতে?
তো আপলোগ কাল যা রহে হো? সুবাহ, কর্মা আ জায়েগা গাড়ি লেকে?
জী হাঁ। পেমেন্ট হামনে কর দিয়া হোটেল টা।
আড়ে ছোড়িয়ে পেমেন্ট কি বাত। এক বিনতি হ্যায় আপলোঁগোসে।
জি জরুর। বোলিয়ে।
দেখিয়ে আপলোগ কা উমর জ্যায়দা নেহি। ইয়ং ব্লাড। আপলোগ কা জরুর মতলব হ্যায় সারচু ( লেহ যাবার রাস্তায় পড়বে) মে টেন্ট লেকর রাত গুজর নেকা। মেরি বাত মানিয়ে, উসকে পহলে কেলং মে হোটেল মিলেগা, উঁহা রুক জাইয়ে।সারচু কা মওসম, আপ তিনোকা কা সেহত কে লিয়ে আচ্ছা নেহি হ্যায়। প্রবলেম হোগা।
বুঝলাম শর্মাজী ভালোর জন্য বলছেন, কিন্তু তখন বলা চলে সকালবেলার নৌকা বিলাস আমাদের রক্তে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এছাড়াও তার বছর কয়েক আগে ভ্রমণে একজনের প্রতিবেদন পড়েছিলাম- গভীর রাত, সারচুর তাঁবুর জীপ খুলে বাইরে আসতেই গভীর নীল আকাশের শত সহস্র তারা আমাকে অভ্যর্থনা জানালো। এই লাইনগুলো মনের মাঝে গেঁথে তবে এসেছি, এই অভিজ্ঞতা আমাদের চাই, তখন শর্মাজীর কথা আমরা শুনবো। ছোঃ!!
তখন কি আর জানতাম, কি ভুলটাই না করতে চলেছি ওনার কথা না শুনে। পরের দিনই আমাদের সোজা বাংলায় বলতে গেলে হাতে হ্যারিকেন দশা হয়েছিল।