সাপ্তাহিক ধারাবাহিক ভ্রমণ সিরিজে শতদ্রু ঋক সেন (পর্ব – ১২২)

পরদিন সে এক যাত্রা।
অনিন্দ্যসুন্দর বললেও কম বলা হবে। ঝকঝকে আকাশ, ধ্যান গম্ভীর হিমালয়, ছটফটে শায়ক নদী আমাদের সাথী। যেতে যেতে মনে হয়েছে স্বর্গ কি এর থেকেও সুন্দর????
ধ্যানমগ্ন শীতল এক মরুভূমি, তার নাম নুব্রা। তার পাদদেশে এক হোটেলে যখন পৌঁছোই তখন বেলা একটা। একটি বিশাল দোতলার ঘরে আমরা ঠাঁই নিলাম। ছিমছাম একটি লাঞ্চ সেরে একটু গড়িয়ে নেওয়াও গেল।
বিকেলে গাড়ি চেপে মরুভূমি। বালি আর পাহাড় মিশে গেছে একে অপরের সাথে। ঐখানকার মরুভূমির জাহাজ, দুই কুঁজ বিশিষ্ট উটের পিঠে চেপে একটু ঘুরেও আসা গেল। বেশ ভালো অভিজ্ঞতা।
বেলা পড়ে আসছিলো। কর্মার কথায় গিয়ে ঢুকি এক তাঁবুতে। লাদাখি লোকনৃত্য ও নাটক দেখি মুগ্ধ হয়ে। তারপর একসময় বেরিয়ে আসি তাঁবু থেকে। কি দেখি??
দেখি ঘুটঘুটে অন্ধকার। পুরো উপত্যকা কালো চাদরে মুড়েছে নিজেকে। আর উপরে?? নীল আকাশের চাঁদোয়া খাটিয়ে ফুটে আছে লক্ষ্য কোটি তারা… ঝকমকিয়ে।
এক মুহুর্তর অপেক্ষা।
তারপর গেয়ে উঠি… আকাশভরা, সূর্য্য তারা, বিশ্বভরা প্রাণ…
আমার সাথে অনিন্দিতা ও গলা মেলায়।