T3 || ২১শে ফেব্রুয়ারি – হৃদয়ে বসতে বাংলা || বিশেষ সংখ্যায় সুতপা পূততুণ্ড

আবিস্কার
হস্পিটালের বেডে লিন্ডা শুয়ে শুয়ে ভাবছে এই বুঝি বিশ্বজিৎ (মিউসিক ডিরেকটার)এলো! কিন্তু প্রায় ৬ টা হয়ে গেল! তখনো পাত্তা নেই,কি হলো কে জানে! তবে কি শান্তনা সব টের পেয়ে গেল? নাহ! আর ভাবতে পারছে না লিন্ডা,এবার ভাবতে ভাবতে মাথার শিরা উপশিরা ছিড়ে যাবে!
মা এসে ছানা দিয়ে গেছে, বলে গেছে ছানা টা খেয়ে নিস, অযথা দেড়ি করিস না,নিজের জন্য না হোক বান্টির জন্য খেয়ে নিস।
(লিন্ডার ছেলে মাত্র দেড় বছর,ওর বাবা প্লেন ক্র্যাশএ মারা গেছে,দেহ নিখোঁজ।,)
নাটক টা বেশ জমিয়ে ছিল লিন্ডা, হাতের শিরা কেটে, বিশ্ব বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিল! এমন ভাবে কেটেছিল রক্তক্ষয় হয় নি!
তিনটে স্টিচ দিয়ে আর টিটেনাস দিয়ে ডাক্তার অবজারভেশনে রেখেছে,লিন্ডা বার বার মাথার যন্ত্রণা বলছিল।
পরের দিন সকালে বিশ্ব এলো সাথে শান্তনা,
লিন্ডা অপ্রস্তুত!
বিশ্ব পরিচয় করালো লিন্ডা ওর নতুন আবিস্কার,
খুব সুন্দর গানের গলা….
শান্তনা তুমি শুনলে পাগল হয়ে যাবে!
শান্তনা লিন্ডা কে বলল জানো আমিও একদিন ওর আবিস্কার ছিলাম!
এখন আমার বয়েস হয়েছে ত!