(৭)
রেজিস্ট্রি র দিন আসতে আর একটা দিন বাকি। সোহাগ পাঁচ দিনে ফোন করে করে ক্লান্ত হয়ে চিরাগকে। কি জ্বালাতনে ফেললোরে বাবা ,শেষে কি ঝামেলায় পড়েছে ভ্যাবলা কে জানে !সেদিন অমন করেচলে গেল বুঝলোই না সোহাগ কেন এত রাগ করেছে ভ্যাবলার উপর ।ওকিশেষ পর্যন্ত কম চেষ্টা করেছে বিয়েটা ভাঙার জন্য। অংশু যখন বলেছিল ওর কি অংশুকে পছন্দ সোহাগ কোন উত্তর দেয়নি। বরং বলেছিল কেমন করে সিগারেটখায়, পাড়ার নেড়ি কুকুর দের নিয়ে খেলার কথা। শেষ পর্যন্ত মাসকাবারি ভদকা ও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তবুও মেনিমুখো পিছু ছাড়েনি। আর এই এক হয়েছে ভ্যাবলা, মুখটা ভেটকে বসে ছিল সেদিন ।কেন রে বাপু তোর ঝামেলা আমি বুঝবো তুই আমারটা বুঝবি না কেন! কেন সেদিন মোটি বলে একবারে এলি না আমার কাছে! কিন্তু কিন্তু করে চিরাগের বাবাকে ফোনটা করেই ফেললো সোহাগ ,”আংকেল ভ্যাবলা মানে …..চিরাগ ফোন ধরছেনা কেন?”
“ওহো তুমি জাননা পিসির বাড়ি তো সোমবার ফিরবে!”
“অ্যাঁ!মানে কই আমাকে তো জানায়নি,আমার যে শনিবার রেজিস্ট্রি!”
“তা তো জানি না বাবা তুমি ওকে কল করে নাও না একটা ”
একটু চিন্তা করে সোহাগ বলে, ” আপনি প্লিজ একবার ঠিকানা টা দেবেনআংকেল?”
“কেন কোন ইমারজেন্সি?”
“না না এমনি আমার বন্ধু বর্ধমানে থাকে তো ওকে বলবো দেখা করার জন্য।”
সোহাগ দ্বিরুক্তি না করে দুপুর বেলা সবাই ঘুমিয়ে পড়লে একটা ক্যাব বুক করে হাওড়া স্টেশনে চলে যায়।