সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে সুদীপ ঘোষাল (পর্ব – ৪৩)

সীমানা ছাড়িয়ে

মিনাদের বাড়িতে একদিন বেড়াতে এল মিনার মামার মেয়ে অতসী। দারুণ দেখতে। পাড়ার সব ছেলেরা অতসীর পেছনে ঘুরঘুর করে কিন্তু পরেশ জানে তাকে ঘুরতে হবে না। মেয়েরাই মেয়েদের জুটিয়ে দেয় ক্ষণিকের নাগর। এ মানতে না পারলে সংসার অসার হয়ে যায়। পরেশ পাঁচদিন পরে মিনাদের বাড়ি গেল। দোতলায় উঠে খাটে বসল। নিচে সবাই গল্প করছে। ওপরে মিতা আর পরেশ। মিতা তলায় কিছু পরে নি। পরেশ শুরু করল কাজ। আজ আর কেউ নেই। চাদরের ফাঁকে চলছে আঙুলের কারসাজি। কখন যে অতসী এসে পাশে বসেছে জানতে পারে নি মিনা। চমকে উঠে বলে, কখন এলি অতসী। অতসী বলল, তোর মনটা কোথায় ছিল। মিনা কথা ঘুরিয়ে বলল, পরেশদাকে চিনিস?
অতসী বলল, নাম শুনেছি।
পরেশ বলল, তোর বাড়ি কোথায়?
— রাউন্দী
— ও, মিনা তোর কে হয়?
— পিসির মেয়ে।
অতসী বলল, মিনা কোথায় গেল।
পরেশ বলল, বস, ও এখনি আসবে।
অতসী পরেশের সামনে উবু হয়ে শুয়ে পড়লো। পরেশ হাত বাড়িয়ে প্রথমে পাছায় হাত বুলিয়ে দিল। অতসী হাসল। তারপর সরিয়ে দিল। পরেশের অভ্যস্ত হাত আবার হাত বোলাতে শুরু করল। অতসী আর কিছু বলল না। তারপর আনাড়ির মত ভুলক্রমে কামের আবেশে পরেশ এক ঠেলায় মধ্যমা ঢুকিয়ে দিল অতসীর যোনীতে। অতসী, আঃ, করে চেঁচিয়ে উঠলো। পরেশ একটু থেমে আঙুল ঘুরিয়ে, আপ, ডাউন করে ভেজা আঙুল বের করল। অতসী ছুটে বেরিয়ে গেল।
পরেরদিন ভাঙা মন্দির বাড়িতে মেয়েদের মাঝে ডাক পরলো পরেশের। পরেশ গিয়ে দেখল, মিনা হাসছে। বলছে, তোমাকে জুতো মারতে হয়। পরেশ বলল,কেন? মিনা বলল,অতসীর ওখানে রক্ত পড়ছে, অত জোরে ঢোকালে আঙুল,যোনী ফেটে যাবে না। নরম জায়গা। এবার ও যদি আমার মাকে বলে দেয়? কি হবে বলো? পরেশ বলল,অন্যায় হয়ে গেছে তুই ম্যানেজ করে দে। চ এখন ওপরে যাবি? এখন কেউ নেই। মিনা দেখলো, বোকাচোদা, হাটে হাঁড়ি ভাঙবে।
মিনা বলল,এখন পড়ব না, যাও,শালা ঢ্যামনা।
মেয়েরা সকলে, হি হি করে হেসে উঠলো। যাবার আগে অতসী পরেশকে বলেছিলো, আমার ভালো লাগছিল কিন্তু তুমি অত জোরে না ঢোকালেই পারতে। আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আর একদিন থাকলে তোমার সঙ্গে প্রথম একবার করতাম। বিয়ের আগে প্রাকটিস হত একবার। পরেশ বলল, আচ্ছা সব মেয়েরা এরকম হয়। অতসী বলেছিলো, আর তোমাদের মত ছেলেদের ঢ্যামনা মি টা কিছু নয়? পরেশ বলেছিলো, ঠিক, মেয়েদেরও স্বাধীনতা থাকা উচিত। ঠিক বলেছ তুমি।
পরেশ চলে এলো ম্লান মুখে। আর কোনোদিন অতসীকে দেখে নি পরেশ। অতসী আর আসে নি। পরেশ শুনেছে, অতসীর বিয়ে হয়ে যায় অনেকদূরে। তারপর কত বছর কেটে গেছে। সব ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু পরেশের গোপন কামলীলা চলতেই থাকে। একের পর এক আঙুলবাজি। অসংখ্য, অগুণতি এক জীবনে, গোপনে। সোনাঝুরি গ্রামে একবার বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গেছিল পরেশ। সেখানে গিয়ে দুটি সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিলো পরেশের। পরেশ দেখলো তার বন্ধু একটা মেয়ের ভেতরের ব্রা ধরে টানছে আর মেয়েটার বুকটা চাপে ছোট হচ্ছে। তারপর অই মেয়েটা বন্ধুর সঙ্গে আড়ালে চলে গেল। আর একজন সুন্দরী পরেশের সামনে। বড় বড় দুধ নিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। বানরের দৃষ্টি কলার দিকে আর পরেশের দৃষ্টি মেয়েদের বুকের দিকে। পরেশ বলল, চল বসি ঘাসে। মেয়েটি বলল, ঘাসে বসব না। পরশের সন্দেহ হল বলল, কেন?
মেয়েটি বলল, অই যে পুকুরঘাটে বাঁধানো সিঁড়ি আছে অইখানে বসব। ওখানে বসে গল্প করতে করতে সন্ধ্যা নেমে এল। পরেশ মেয়েটার দাবনায় হাত রাখল। মেয়েটা কিছু বলল না। আর মুখ দেখা যাচ্ছে না। পরেশ ফ্রক তুলে দেখল, একদম উলঙ্গ। জাঙ্গিয়া নেই। অইজন্যই ঘাসে বসতে চায় নি। আঙুল বুলিয়ে যোনিরসে সিক্ত হয়েছে তর্জনি। মেয়েটা বলছে, আপনি খুব সেক্সি। একদম শিরে হাত। সবাই পারে না। জানতে হয়। পরেশ কথা বলছে না। তিনটি আঙুল দিয়ে ম্যাসেজ চলছে ডাগর যোনীর। কুড়ি বছর বয়সের মেয়ে। কামে ছটফট করছে। রস গড়িয়ে পড়ছে কনুই বেয়ে। বেশ মজা পেয়ে মেয়েটি কোমর তোলা দিয়ে শিৎকার শুরু করল। পরেশের কাণ্ডজ্ঞান লুপ্ত হয়েছে। ঘাটে চিৎ করে ফেলে প্যান্টের ভেতরে বির্যপাত করে ফেলল। এদিকে বন্ধু এসে বলল, কি রে অন্ধকারে গাঁড় মারছিস। মেয়েটি হেসে উঠল। বন্ধুর সঙ্গে মেয়েটি বলল, সবাইকে নিজের মত মনে কোরো না। বন্ধু অকপটভাবে বলল,আমাকে পাছা দিলে না যোনীতে হাত মারলাম। এবার পেট হয়ে যাবে দেখবি। মেয়েটি বলল, তুই এলেই আমি ব্যবস্থা করে নিজেকে সেফ রাখি। বন্ধু বলল, জানা থাকল। পরেশ এসব পারে না। সে এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে দেখে মেয়ে দুজন বলে উঠল, তোর বন্ধুটা, থাকা কার্তিক। ভাজা মাছ উল্টে খায় না। কাঁটার ভয় করে। শালা একদম, চদু। তারপর পরেশ চলে এলো কলকাতার এক মেসে। চাকরি খোঁজার জন্য আসা। সবাই খেয়েদেয়ে নিজের কাজে চলে যেত আর পরেশ জানালা ধরে বাইরের দৃশ্য দেখত। নিচে ভাড়া থাকত একটা পরিবার। তারা তিনজন। বাবা,মা আর মেয়ে। বাবা আর মা বেরিয়ে যেত চাকরি করতে আর মেয়েটি ঘরে একা থাকত। তার বয়স কুড়ি একুশ হবে। বেশ সুন্দরী। সে একদিন দোতলায় চলে গেল পরেশের কাছে। সে বলল, দাদা নিচে একা ভাল লাগে না। তাই তোমার সঙ্গে গল্প করতে এলাম। পরেশ পরিচয় বাড়াতে সিদ্ধহস্ত। পরেশ বলল, নিশ্চয়, আমারও একা ভাল লাগে না। এইভাবে তাদের পরিচয় পর্ব মিটে গেল। এক মাস পর সম্পর্ক মজবুত হল। মেয়েটা খুব পাকা। সে বলল, পরেশদা একটা মজার খেলা খেলব। পরেশ বুঝতে পারলেও না বোঝার ভাণ করল। বলল, কি খেলা? মেয়েটি বলল, তুমি শুয়ে পড়, আমি যা করার করছি। পরেশ শুয়ে পরলে মেয়েটি পরেশের লুঙ্গি তুলে লিঙ্গ মুখে পুরে নিয়ে পাগলির মত চুষতে থাকল। পরেশ বলল,আমি এসব জানি না। পেটে তোমার বাচ্চা এসে যাবে। মেয়েটি বলল, বাচ্চা আসবে না। তোমার মাল পড়ার আগে আমাকে বলবে। আমি যোনী থেকে তোমার লিঙ্গ বাইরে বের করে দেব। বাইরে তোমার সাদা মাল ফেলবে। অই সাদা মালে ই বাচ্চা হয়। পরেশ আঙুল চালিয়ে ক্ষ্যান্ত। এসব জানত না। যতই হোক শহরের মেয়েরা অনেক এগিয়ে সবক্ষেত্রে। মেয়েটি প্যান্টি খুলে ঢুকিয়ে নিলো নিজের যোনীতে, পরেশের লিঙ্গ খাড়া হয়ে ঢোকে আর বেরোয় মেয়েটির লাফানিতে। বসে বসে মেয়েটির কি লাফানি। প্রায় দশ মিনিট পরে পরেশ বলল, বের কর, এবার মাল পড়বে। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি বের করে দিল রসে ভেজা লিঙ্গ। তারপর মুখে নিয়ে ফেলে দিল সাদা মাল। পরেশ খুব আদর করল মেয়েটাকে। স্তনগুলো মর্দন করল ইচ্ছেমত। মেয়েটি চলে গেল আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। পরেশের চাকরি আর হল না। ফিরে এলো আবার গ্রামে। পরেশের জীবনে সে দেখেছে নারীর অবদান তার জীবনে অনেক বেশি।। গোপন জীবনে তো বটেই তাছাড়া বাস্তব জীবনে নারীদের দয়া ছাড়া সে এক পাও চলতে পারত না। সে মনে মনে শ্রদ্ধা জানায় নারীদের। নারী ছাড়া পুরুষের জীবন মরুভূমির মত। এই মরুর জীবনে নারী হল মরূদ্যান। ঠান্ডা রাখে দেহ, মন, আত্মা। প্রকৃতির কি অপরূপ সৃষ্টি। এই নারীরূপী দেবিদের কষ্ট দিতে নেই। তাদের সুখে রাখতে হয়। পরেশ এইসব ভাবে আর তার বন্ধুদের বলে এইসব কথা। বন্ধুরা বলে, এবার বিয়ে করে নে। পরেশ বলে, আমি তো রোজগার করি না। কেউ আমাকে বিয়ে করবে না। পরেশ বন্ধুদের বলে, কবিগুরুর কথা মনে নেই তোদের। তিনি বলেছেন,’ নারীর প্রেমে পুরুষের যে শুধু আনন্দ তা নয়, তা তাদের কল্যাণ ‘। সমাজের সর্বস্তরের কল্যাণের জন্যই যেন নারীর জন্ম। বন্ধুরা পরেশকে খুবভালবাসে। তার কথা মন দিয়ে শোনে। পরেশ বলে, আমাদের মা তাদের কথাই ধর। আজীবন ছেলেমেয়েদের ভালমন্দে তারা থাকেন। অথচ বুড়ি হলে অনেক ছেলেমেয়ে মা বাবাকে দেখে না। এটা ঠিক নয়। এটা পাপ।যে কাজটা তোর বিবেক মানতে পারবে না সেই কাজ থেকেই পাপের সৃষ্টি হয়। তাই সমাজের,দেশের,দশের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হয়। নিজের জীবন তাহলে সার্থক হয়।বন্ধুরা বলে একদিন চল সকলে একত্রিত হয়ে গরীবদের মছ্ছছপ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করি আর তার সঙ্গে শীতবস্ত্র। একমাসের মধ্যই সব জোগাড় হয়ে গেল। অজয়ের ধারে একদিন পাঁচটা গ্রামের লোক নিয়ে বনভোজন ও বস্ত্র বিতরণ উৎসব পালন করা হোলো। পরেশ বলল ইচ্ছেশক্তিটাই আসল আর সবই তার অধীন। কোন কাজ টাকাপয়সার জন্য আটকায় না। ভালো মানুষ আর ইচ্ছেশক্তিটাই আসল।সব মিটে গেলে পরেশ একা একা চলে গেল অজয় নদের ধারে। সেখানে নৌকো বালির চরে ঠেকে আছে।নৌকোর মধ্যেই বসে পরেশ নিজের জীবন নৌকোর কথা চিন্তা করতে শুরু করল। তার চোখের সামনে এখনধু ধু করছে বালি। কিন্তু যখন কালের পরিবর্তন হবে তখন আসবে জোয়ার। আর এই জোয়ারের অপেক্ষায় তার বসে থাকা।
নদীর ধার দিয়ে নিত্য আমার আনাগোনা । গ্রীষ্মে দেখি শুকনো বালির বৈশাখী কালো রূপে আলো ঘেরা অভয় বাণী ।বর্ষায় পরিপূর্ণ গর্ভবতী নারীরূপ । এই রূপে জলবতী নদীতে অতি বড় সাঁতারু ভুলে যায় কৌশল । আমি তখন নদীর বুকে দুধসাদা ফেনা হয়ে ভাসতে ভাসতে চলি বাক্যহারা হয়ে ।এবার শরতে কাশ ফুলের কারসাজি । তার মাথা দোলানো দেখে আমি দুর্গা পুজোর ঢাকী হয়ে যাই । আমার অন্তর নাচতে থাকে তালে তালে । মা তুই আসবি কবে আর, নতুন জামায় নাচে মন সবার ।নদী এরপরে হেমন্তের বুকে ছবি এঁকে এগিয়ে যায় শীত ঋতুর আহ্বানে । লোটা কম্বল বগলে আমি রাজস্থানী সাজি । কখনও ধূতি পাঞ্জাবি পরিহিত শাল জড়ানো খাঁটি বাঙালি । মাঝে মাঝে কোট প্যান্ট পরিহিত বিদেশী সাহেবের সুন্দর সাজ । আমি সারা পৃথিবীর সাজে সজ্জিত হতে চাই শীতের আদরে ।শীতল আড়মোড়া ভাঙতেই বসন্তের বাসন্তী রঙের তালে তালে আমি রঙের ফেরিওয়ালা হয়ে যাই । সকলের অন্তরের গোপন রঙ ছড়িয়ে দেয় প্রকৃতি । এই সময়ে আমার রাধাভাব ছড়িয়ে পড়ে স্বচ্ছ অজয়ের মদনমোহনের রূপে ।আমার সমস্ত শরীর মন ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে মনোদেবতার মহান চরণে …।দূর থেকে ভেসে আসছে ভাদুগানের সুর । ছুটে গিয়ে দেখলাম জ্যোৎস্না রঙের শাড়ি জড়ানো বালিকা ভাদু বসে আছে । আর একটি পুরুষ মেয়ের সাজে ঘুরে ঘুরে কোমর নাচিয়ে গান করছে , “ভাদু আমার ছোটো ছেলে কাপড়় পর়তে জানে না” ।অবাক হয়ে গিলে যায় এই নাচের দৃশ্য অসংখ্য অপু দুর্গার বিস্মিত চোখ । ঝাপানের সময় ঝাঁপি থেকে ফণা তোলা সাপ নাচিয়ে যায় চিরকালের চেনা সুরে ঝাপান দাদা ।ঝাপান দাদা ঝাপান এলেই গান ধরতো,”আলে আলে যায় রে কেলে , জলকে করে ঘোলা । কি ক্ষণে কালিনাগ বাসরেতে ঢোকে রে, লখিন্দরের বিধি হলো বাম ” । গ্রামের পুরোনো পুজোবাড়ি গাজনের সময় নতুন সাজে সজ্জিত হতো । বাবা শিবের ভক্তরা ভক্তি ভরে মাথায় করে নিয়ে গিয়ে দোল পুজো বাড়িতে নামাতেন । অসংখ্য লোকের নতুন জামা কাপড়ের গন্ধে মৌ মৌ করে উঠতো সারা বাড়ি । তারপর পুজো হওয়ার পরে দোল চলে যেতো উদ্ধারণপুরের গঙ্গা য় স্নানের উদ্দেশ্যে । কিন্তু আমার মন ফাঁকা হয়ে একা হয়ে পড়তো । এই তো কিছুক্ষণ আগেই ছিলো আনন্দ ঘ্রাণ । তবু দোল চলে গেলেই মন খারাপের দল পালা করে শুনিয়ে যেতো অন্যমনস্ক কবির ট্রাম চাপা পড়ার করুণ কাহিনী । ঠিক এই সময়ে কানে ভাসতো অভুক্ত জনের কান্নার সুর । আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছি বারংবার, সকলের অনুভূতি কি আমার মতো হয় ?

রাতে শোয়ার পরে বোলান দলের নুপুরের ঝুম ঝুম শব্দ কানে বাজতো বেশ কিছুদিন ধরে ।
ফাল্গুনে হোলিকার কুশ পুত্তলিকায় আগুন ধরিয়ে কি নাচ । নাচতে নাচতেই সবাই সমস্বরে বলতাম,
ধূ ধূ নেড়া পোড়া, হোলিকার দেহ পোড়া ।

অশুভ শক্তিকে পুড়িয়ে শুভ শক্তির উন্মেষ । পরের দিনে রং আর আবিরে ভরে যেত আকাশের নরম গা । বাতাসের অদৃশ্য গায়ে আবিরের আনাগোনা । সে এক অনির্বচনিয় আনন্দের প্রকাশে রাধা কৃষ্ণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশের আকুতি ।আশ্বিনের আকাশে বাতাসে বেলুনের অনিল পাঠকের রঙের খেলা ।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।