মার্গে অনন্য সম্মান সুতপা ব্যানার্জী(রায়) (সেরার সেরা)

অনন্য সৃষ্টি সাহিত্য পরিবার
সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা পর্ব – ৯৩
বিষয় – দৃষ্টি কোণ
অন্তর্দৃষ্টি
ই-বুকের বর্ষা সংখ্যার জন্য সোমনাথের কাছে জমা পড়েছে প্রচুর কবিতা, এগুলো দেখে দিলে যাবে এডিটিং- এ, টেবিল ল্যাম্পের আলোয় রাতের নিস্তব্ধতাকে সঙ্গী করে পড়ে চলেছে কবিতাগুলো, মোটামুটি লেখাগুলো ভালোই, যেটুকু বাদ দিচ্ছে তা ওই ব্যাকরণগত ত্রুটি ও যতি চিহ্নের জন্য।
এরমধ্যেই মোবাইলে মেসেজের টুংটাং, লেখা এখনো জমা পড়ছে, ফোন নাম্বার ও দেওয়া আছে কোন সমস্যায় ফোন করার জন্য।
একটা লেখা ও সরিয়ে রেখেছে, কবিতাটা পরিসীমা সীমার লাইনের বাইরে হওয়ায়, সামান্য কমালে লেখাটা ঠিক হোত।
কিন্তু এভাবে সংশোধনের নিয়ম তো প্রকাশনা সংস্থার নেই। এসে যাওয়া মেসেজগুলো চেক করে দেখল একই নাম্বার থেকে এসেছে, যে ‘কান্না’ কবিতাটা জমা দিয়েছে, কথার ভিড়ে বাকি কবিতাগুলো হারিয়ে না যায়, ও সন্ত্রস্ত হল, অনুরোধ জানালো ফোন করার জন্য যদি ‘কান্না’ কবিতাটাকে কোন ভাবে নিয়মে আনা যায়। ওদিক থেকে ফোন তো ধরল না উল্টে একের পর এক মেসেজ আসতে থাকল।
সোমনাথ ক্লান্ত হয়ে নিজের কাজে মন দিল, কৌতূহল বশত ‘কান্না’ কবিতাটার প্রেরকের ঠিকানাটা দেখতে গিয়ে দেখল, ‘ডেফ অ্যান্ড ডাম্ব হোম’ দমদম,। এতোক্ষণে ও বুঝতে পারল ফোন না ধরার কারণটা; হোয়াটস্আপে লিখল-” তোমার কবিতাটা ষোল লাইনে করে দাও তাহলে ছাপবার অসুবিধে হবে না, ভাল থেকো।” ওপাশ থেকে একটা সুন্দর স্মাইলি এলো, ঐ স্মাইলির আড়ালে সোমনাথ ওর নির্বাক পৃথিবীর হাসিখুশি মুখটা দেখতে পেল।