সাতে পাঁচে কবিতায় সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য

ছায়াপথ
ছায়ার মহানতা জীবনে ঠিক মায়ের মতো
একথা বোঝার পর সাড়ে সাতি শুরু হয়েছিল
সে কি তীব্র তাপ সাহারায় চলাফেরা যেন,
আকাশে ঊর্ধমুখ হলে
বিপ্লবহীন পাখা নিয়ে অজানা কক্ষপথে শকুনের নীরব প্রতিক্ষার টহল
সব গাছ কখন যে ক্যাকটাস হয়ে গিয়েছিল
সেকথা লেখেনি কোন সকাল দুপুর অথবা যৌবন মিনার
অথচ এ গ্যালাক্সির পথে পথে ছায়া আঁকা আছে
তার আঁচলের ভিতরের খুপরি খুপরি ঘরে
সারি সারি সর্বনামের মতো আরও কত হাজার আঁচল
তবু এ নিস্তব্ধ দুপুর শরীর বড় অসহায় বালির প্রাসাদে
হয়তো অসাড় দেহ মরিচিকা মাড়িয়ে মাড়িয়ে
তোমার হাতের কাছে পৌঁছালো সন্ধ্যাবেলায়
ওপরে তুলসীগাছ অভিশাপে মঞ্চের শিরে
তার পাঁচকোনা ঘরে আঁচল পেতেছে এক মাটির ছোট্ট প্রদীপ
সেই ছায়া ধার ক’রে খগোলের পথজুড়ে মিল্কিওয়ে
কথা ছিল হাত ধরে হেঁটে যাবো ছায়াপথ…