অণুগল্পে শীতল বিশ্বাস

ভালোবাসার জায়গা অনেক, মূলত কবিতা, তবে নড়চড় হয় গল্প, ভ্রমণ কথা ইত্যাদিতে,আমি শীতল বিশ্বাস, বাঁকুড়া সদরে থাকি,ঠিকানা-শ্রীনগর পল্লী, কেন্দুয়াডিহি ।

ধ্যাৎতেরিকা

সিগারেটটি মাটিতে ডলে দিল আকর্ষণ ।
-সবে গোঁফের দূব্বোঘাস,সিগ্রেট খাস
ফোঁস ফাঁস।
তৃণশ্রী বলে উঠল ।
সেও কৈশোরোত্তীর্ণ। দুজনেই দুজনের কাছে ফিঁয়াসেমার্কা। ঝগড়া, প্রেম, বন্ধুতা মিলে হচপচ।
-ধুস্,তোর সবেতেই কবিতা । আমার কাব্যগুড়ে বালি কিচকিচ ।
-অ্যাই, ভালুক খাবি?
-মহিলা ড্রিংস,খ্যাঃ,ওসব খাই না। তাছাড়া যা গ্লিসারিন মারে–নির্ঘাত আমাশা।
-শালা, নবাবপুত্তুর,ঘরে নেই নুন-নামটি মিঠুন ।
-ম্যালা, ক্যালাস না।
-যাঃ, ভাগ।
-তাড়াচ্ছিস-কোনো নবাবপুত্তুর পেলি নাকি?
-দেখবি তবে কালই জুটিয়ে নেব।আমি কি কালি-পেঁচি?
-তুই অপ্সরী, মেনকা-রম্ভা।
-যখন ক্যালাবো তখন বুঝতে পারবি।
-আনলক সিজনে আর ভাটাস না।
-কেন রে,পরিযায়ী বলে কেমন নিজের মানুষকে আমরা পর করে দিচ্ছি ।
-তাহলে তুই ডানা লাগা।
সময় ডানায় পেরিয়ে যাচ্ছে সময় ।পিং
মুনও পেরিয়ে গেল।আনলক চলছে খুঁড়িয়ে ।আর মৃত্যু মিছিল স্টেডি।
-কি হবে রে?
-কিসের, কি!
-সব রাস্তা বন্ধ যে।
-মানে?
-কয়েক বছর পিছিয়ে গেল পৃথিবী,ভারতবর্ষ কয়েক যুগ ।
-চাকরির কথা ভেবে লাভ নেই ।
-তবে?
-বেওসা না চাকরি কি করবি ,তা’লে?
-যেমন টাকা তেমনি কাজ।
-তোর কতো টংকা আছে শুনি?
-দেখি,বাড়ি গিয়ে গুনে আসি।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!