চালাঘরের পাশে ও দশকের দোতারায়
থাকতে পারত সুর সম্ভবা কোনও উঠোন,
আধফোটা ভোরের মিলনে
শিশিরের ঠোঁটে লেগে থাকা ঘাসের আদর।
এ কবিতায় এক বনবৃক্ষ তল থাকতে পারত
সে তলের ওষ্ঠাধর বক্ষরেখা জঙ্ঘা বেয়ে নেমে যেত
মহাসৃষ্টির মহালগন, আনন্দ বিভোর।
আচ্ছা, কাল কি কবি পক্ষের শুরু?
কত মায়া লেগে থাকা বাতাসের চুল
উড়ে যায় এ সময়ে,
নারীর চুল কি তবে জলের সহোদরা,
গ্রীষ্মের পথভাঙ্গা তৃষ্ণা হারায়
‘দূরে বহু দূরে স্বপ্নলোকে উজ্জয়নী পুড়ে’?
ঘরের ভিতরে ঘর তার ভিতরে এক দ্বিধাগ্রস্ত নিরাপত্তা
পৃথিবীর মায়াময় মসৃন ত্বকের ওপর এখন,
জীবন ও মৃত্যুর মাঝে দাঁড়িয়েছে অতি রুগ্ন কাল,
আর এক শ্বেত শ্মশ্রু শ্বেত মন্ত্র বলছে তাকে
ওঠো, উঠে দাঁড়াও – বয়ে যায় রবীন্দ্রসকাল।