কবিতায় বলরুমে রীতা চক্রবর্তী

যুগান্তরের অন্তরে
তোমার ওই অচিন পুরের পথের বাঁকে আমি আজ উড়ে যেতে চাই যেখানে দিনের শেষে ঘোমটা পড়া ছায়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমারই অস্তিত্বের সারাংশ। দিনের শেষ খেয়ায় যেতেই যখন হবে তখন খুশির হাওয়ায় ভাসিয়ে নিয়ে যাই আমার সাধের তরণী। জীবন নদীর উথাল পাথাল ঢেউয়ের দোলায় যে নাচে কেবল মোচার খোলা হয়ে। তবুও তার ভেসে থাকার কায়দাটুকু যায়না চেনা বোঝা। সেই তো রাজার রাজা। জীবন জুড়ে তাকেই শুধু খোঁজা। আলোর পথের ধারে সোনার রথে চড়ে তাঁরই যাওয়া আসা। তাঁর ইশারায় নড়াচড়া সকল কাঁদাহাসা।
দূর আকাশে হাতছানি যার অসীম পাড়ের ডাক দিয়ে যায়, অকারণের আনন্দে আজ তাঁর পথে যাবই ভেসে নিরুদ্দেশে। যাবার বেলায় ঘাটে বসে সন্ধ্যাতারার সাথে হেসে যাব চলে। এই কথা যাব বলে – অসীম পাড়ের যেখান থেকে যাত্রা তোমার হল শুরু, ওগো আমার সিদ্ধ গুরু; ফেরার বেলায় রেখে যেয়ো চরণ চিহ্ন সেই পথে। আগামীর ওই আগলখোলা ভবিষ্যতের গুরুর চ্যালা লিখবে যে নাম সে নাম তোমার ফুল ফোটাবে এই বাগে অনুরাগে। হাওয়ার দোলায় জলের খেলায় মাতন লাগে সেই আলোর, সকল ভালোর। চিতির লেখায় থাকবে সে নাম যুগ হতে যুগান্তরে সকল ভালোর অন্তরে।