।। ত্রিতাপহারিণী ২০২০।। T3 শারদ সংখ্যায় প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
by
TechTouchTalk Admin
·
Published
· Updated
ভুলভুলাইয়া
প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
ভূমিষ্ঠ হয়েই দিগন্তের দিকে নিশানা তাক করে বিলীন হল নদী,
দেখাদেখি জলপ্রপাতও,ইস্পাতকঠিন মানসিকতায়
জমির ওপর আসন পেতে বসে পড়ল দীর্ঘাকৃতি রেললাইন—
স্রেফ নিরুদ্দিষ্ট হওয়ার বাহানায়
বেঁকে বসেছে নাকি সবকটি হেয়ারপিন বাঁক,আচমকা
কিছুটা পথ হেঁটে, সাদাসিধে সরলরেখাতেও ঢুকে পড়ল কী ভীষণ বক্রতা !
ঋজু ও একহারা
অক্ষরে-আখরে ঠাসা চোদ্দো ফর্মার ২২৪ ধরণের অচেনা উপকরণ
সূচিপত্রটিও ঠারেঠোরে জানিয়ে দিয়েছে
উপসংহারের পিছওয়াড়ায় থাকতে রাজি নয় কেউই,
বস্তুত,ভূমিকাই সভামুখ্য—
তাঁর বিশ্লিষ্ট বিবরণই টেনে নিয়ে যাবে অনুসিদ্ধান্তের অবধারিত চৌম্বকত্বে
তুমি মেঘ উচ্চারণ করামাত্রই গ্রীষ্ম পৌঁছে গিয়েছিল রুখাশুখা বর্ষা-দরবারে
ভরা সাঁঝ ! হে মাধবী,সো হোয়াট?
প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
ঝর্ণাটি কি ঝরঝর ঝরঝর ঝরবে আবার সমতলে নেমে গেলে ?
ভাবছিলাম—-ট্যুরিস্ট আগুনও কি চিয়ার্স হাঁকবে আর,বাতাসে হিম নেমে এলে?
পিন শুনেছি বল্লমের জামাই,অধুনা স্মৃতি-সংগ্রহকারক।
স্নায়ুধর্মী অ্যালবামে গিঁথে রাখে সমস্ত স্মারক।
সিঁড়িতলার ব্ল্যাকবক্সে থাকে যে কুড়িলক্ষকোটি গোপন ওঠানামা
রাত্রি টাঙিয়ে—বাক্য-বাদ্যিতে ছিল যেসব মৃদুমন্দ জ্যাজ-ভাষণ,
বাদুলে সে প্রথম কদম,স্তনবৃন্তের ঘের, মঙ্গলের টেরাকোটা রং,
দৃষ্টি-নভে ঝিলিক-শরৎ ; রক্ত-মজ্জা-মাস-হাড়-শিশ্নময়
বসন্ত নাকি দীর্ঘতম ঋতু—শরীরের,হাঃ,
পড়ে আছে কি কিছু অস্তমিত যৌবধর্মিতায়? বাকিবকেয়া দু-একটি বছর?
৬১-তে এসে জানা গেল আজ তার অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ প্রহর
উপস্,জিজ্ঞাসাই করা হয়নি প্রান্তিক হয়েও কীভাবে খুশি থাকে প্রান্তসীমা