ক্যাফে কাব্য গুচ্ছে প্রভঞ্জন ঘোষ

ব্যক্তিগত
এইখেনেতে কেউ এসো না
কব্জা আঁটা
ওদিক থেকে হামা দিলে
পেছল পথে হড়কে গেলে
উতল ঢেউয়ের সাগর জলে
সাঁতার কাটা!
সাঁতার, না কি হাত-পা ছোঁড়া
ঘোলাট জলে ওঠাপড়া
এদিক আবার সূর্য লাফায়
লাগাম ছোটা।
এইখেনে এই গাছের গোড়ায়
ঝিলিক্ ওঠা
দিন বারোটা,
রাত্রিবেলা চন্দ্রাকরে
পলকা রুপোর ফুলকি ঝরে
হাওয়ায় যেন পেত্নিগুনোর
পড়া-ওঠা
স্বর্গদূতের পঙ্খ ধরে
জোর ঝাপটা।
হেথায় ওড়ে লক্ষ-কাহন
গল্প-গাঁথন
পরমাণু
মিহিন পথের পরাত ছোটে
হীম্ কুয়াশায়
জড়িয়ে রেণু-
এইখেনে এই ঝুম বরাবর
বৃষ্টি ফোঁটা
লক্ষ-কাহন কর্ণে সে থাক
কাপাস আঁটা।
প্রজাপতি
অনেক তো হল
গুচ্ছের রোঁয়া খসিয়ে
হও তো দেখি এবার প্রজাপতি:
খাই-খাই ক’রে
সজনের পাতাগুলো শেষ করলে,
আবদারের চুমোয়
শরীরে বসালে দাগ,
এবার, রেণু ছড়িয়ে
ধমনীর স্রোত প্রাণবন্ত করো।
অনেক তো হল-
দিবসকে খর করালে
রাতকে করালে নির্ঘুম- – – –
এবার, রাতের মথ হও,
ফুলে-ফুলে নৃত্যের লগন ছুটিয়ে
ডানা মেলে প্রজাপতি
জাগ্রত দিনে।