নিরর্গল দৌরাত্ম্য দৌড়ে পিছিয়ে পড়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। ছাত্রদের শেখানোর জন্য এর চেয়ে ভাল উপদেশ আমি আজ পর্যন্ত ব্যবহার করিনি। যে পথ ভিন্ন নয় সে পথে হেঁটে শেষ অবধি পৌঁছে গিয়েও শান্তি আসে না, শান্ত হয়ে যাওয়া ঈশ্বরের কাছে শান্তি মেলে না যেভাবে।
“—এ ভীষণ অন্য হয়েছে যারা, ফুরিয়ে গিয়েও নিঃস্ব হয়নি যারা, ফুৎকার গুলিয়ে ফেলেও হাসি বাঁচিয়ে রেখেছে যারা, পৃথিবী শুধু তাদের ঈশ্বর মেনে এসেছে বরাবর। “
পৃথিবীর অন্তিম নীরবতা দেখে যে মানুষ নিজেকেই গোল বানিয়ে দিল, কবিতা তাকে ছেড়ে পালিয়ে যাবে না, ঠকবে তোমরা।
আজ নীহার নিয়ে বলতে হলে নীল বাষ্প নিঃশ্বাসের সুগভীর ভাবনার ভিতর থেকে বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করে, হিসেব মেলাতে আর কতবার বিন্দু অস্বীকার করে সিন্ধুতটে কলসি পাতবে? আজও শাহিভৃত্যের শাখা গুলো ভালো করে দেখলে দেখা যাবে সেই স্কুলিং টা, যেখানে একটা ডাইরি ছিল ডাইনোসর গোষ্ঠীর। ওরা প্রচলন বেচে প্রথা কুড়িয়ে এনেছিল। ওদের বিলুপ্ত করে দিল প্রথাসিদ্ধরা। আস্তে আস্তে দূরবীক্ষণ সরে যাচ্ছে কবিতা থেকে, আর আজ থেকে প্রাই দুই দশক পর তোমরা যখন খুঁজে বেড়াবে ঘুন ধরা পাতার ভিতর নীহারকে তখন সাহিত্য হারিয়ে ফেলবে তার লঘুতম অস্বীকারটিকে।
জ্যা বরা ক্রসিং যেভাবে ধুঁদে আইনজ্ঞ বানিয়ে দিল পথচারীদের, সেভাবে প্রথা একটা একটা কবিকে অসাড় লিলিপুট বানিয়ে দিচ্ছে। তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে লিখলে তুমি বলছ ফালতু, তোয়াজ করলেই মহাকবি।
স্বয়ংসিদ্ধা কে চিনতে যাদের এতদিন বছর কেটে যায়, তাদের কাছে কবিতা মারানো সম্পদই। পেঙ্গুইন শাবক হয়ে টিকে থাকার চেয়ে এইসব নীহারদের নিভে যাওয়ায় শ্রেয়।