আমরা সবাই ভুলে গিয়ে ভাল থাকতে ভালবাসি। জীবন এমন একটা সিলেবাস, যার কিছু অধ্যায় ভুলে না গেলে ভাল থাকা হয়ে ওঠে না। অবশ্যই সেগুলো বিতর্কিত চ্যাপ্টার হয় বা তর্কিত করে তাদের সমাধান খোঁজা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। নীহার এই প্রচার, সর্বসাধারণের ঢ্যাঁটা প্রোসেস, এই লাট খাওয়া অগ্রজ্ঞান থেকে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে থাকে। নীহারস্ফোট প্রতিদিন হয়তো মহাশূন্যে বিলীন হয়ে যায়, শাহিভৃত্য নয়। মাত্র কথা বলতে হবে এই তো পূজা, তার জন্য আরাধ্য, আরাধ্যা তৈরির কারখানা, জ্যাম জেলি লাগানো পাতায় পাতায়, এসবের মাঠে দলা দলা দলদল সাঁতার কেটে বি-ভার তথ্য এনে রাখে।
তথ্যটাই কবিতার শত্রু, এটুকু না বুঝেই লেখে যাওয়া ত্যালত্যালে এক্সাম স্ট্র্যাটেজি শাহিভৃত্যের হতে পারে না। তুমুল হও, না মানতে পারার প্রবণতা তৈরি করো, মেনে নিলেই তো সাহিত্য শেষ। এক্সপেরিমেন্ট বলে কিচ্ছুটি নেই, সবই আবিষ্কার। যারা বুঝে নেয় তারা ভেঁপু, যারা বোঝে না তারাই শাহিভৃত্যের গজস্কন্ধ।
অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসী নীহার আবার নবরূপে সাজিয়ে আনছে তার পত্রিকা ‘শাহিভৃত্য’। নতুনের খোঁজ শুরু হয়েছে তার, খোঁজের নতুন ফিরে আসছে তার।
“আমাদের চালানামা রিমোট প্রহর
কাঠের উপরে কাঠ, থর থর থর
সিলেটের ডিসি থেকে
সেলিবের ন্যাচারাল ভর্তুকি
সবই তো সংখ্যা মাফিক
লঘু চালে মাপের সুতলি টানাটানি
আমি বসি
ছায়াটিও বসে
ভুল তাঁত, আর তাঁতিদের সাক্ষাৎকার
প্রণালি জোড়েন যিনি
রোদ-জল-একা’টি এবং শুধুই অশালীন তিনি”