কবিতায় প্রজ্ঞাপারমিতা ভট্টাচার্য

অ – সুরেরা পালিয়েছে আজ কী?
অ – সুর
কী যেন ফোঁটা ফোঁটা অবিরাম
চোখ জ্বলে বুক জ্বলে
নিঃশ্বাসে পাকানো ধোঁয়াদের মাস্তানি বারবার।
এত বিষ কথা উগরায় রাতদিন
আত্মীয় বন্ধু আর আমাদের পরিজন।
বিষকণা ভেসে ভেসে ভয়ানক
নাক কান চোখ মাথা ভনভন।।
সুর
এসেছে সবুজ কিছু কিশোরী
কিশোরের দল কিছু বুকটান
হাসে আর গান গায় রাতদিন।
ওরা ডাকে প্রজন্ম পূর্ব….ওগো আমাদের বাবারা মায়েরা শোন…
গান নাও সুর নাও,বন্দুকে ভরে নাও ভীমপলাশের জীবনানন্দ।
লালন সাঁই এর একচালা ঐ তো,
কবীর এর সুধারস- প্রসারিত দুই হাতে বারবার,
বীটলস্ গোলাপ ফোটায় দ্রিম দ্রিম।।
আমাদের এই ভাগ গোলকে,
গান সুর তাল লয়,
ভালোবাসা মুঠো মুঠো ছড়ায় তো প্রতিদিন।
মাগো, তোমাদের মুখে কেন বিষ এত জড়ো হয়?
বাবাদের জিভে শুধু ভাইদের মাথা জুড়ে অভিশাপ?
একবার গুনগুন গান গাও,
কান পাতো সুরেদের চলাচল বাতাসে,
উধাও জ্বালামুখ ধোঁওয়াদের বিক্রম।
আমরা তো তোমাদেরই সন্তান,
ভালো বুঝি বাসবেনা আমাদের?
উত্তর অধিকারে দিয়ে যাও গূঢ় বীজমন্ত্র
হিংসের বাঁধন কাটি কীভাবে
গান দিয়ে প্রাণযোগ কেমনে।
শ্লেষ আর বিদ্রূপে কালো ঠোঁট
ফাগুন বিকেলে ঠিক
চুমুদের মতো গাঢ় গোলাপি।।