সাপ্তাহিক ধারাবাহিক কথা সাগরে নীলম সামন্ত (পর্ব – ২১)

ব্রহ্মমুখী সূর্য ও রেবতী রেবতী ঠোঁট
মাথা ভর্তি মেঘ নিয়ে মেয়েটা জল পেরিয়ে নদী হল ঠিকই
তবে তার পা ও সমদ্রের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে পরিযায়ী প্রেম।
— এই ধরনের কথা জানতাম না। সব কিছুতেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। পরিনতিহীন আলোগুলো কোথাও একটা লুকিয়ে পড়ে। অন্ধকারে দ্বাররক্ষী ভাবে দূরদুরান্তের
পুকুর ডোবা ফেলে সমস্ত কচুরিপানা দৌড়ে আসছে। এদিকে দাঁড়িয়ে গলা উঁচু করা কিছু মানুষ। মানুষগুলো আলো চেনে৷ উপহাস চেনে। জানে কথার জালে পায়রার পা আটকে গেলে পাখি ধরা সহজ কাজ ৷ তাই কোন ফাঁদ না৷ কৌশলহীন একটা লোহার বেঞ্চে বসে তারা পোষ মানানোর উপায় খুঁজে বেড়ায়।
আমি নাহ আমি না, আমার বিপরীতমুখী মানুষরা পিঠে আবেগের বোঝা চাপিয়ে মাঠের পর মাঠ শুধু হেঁটেই যায়। তারা জানে না ভীষ্মের শরসয্যায় কটা তীর লেগেছিল। এও জানে না পাহাড়মুখী বন্ধুবান্ধবদের গোড়ালি ছুঁয়ে আছে সমুদ্রের অতল। যেখানে কত হৃদয় ঝিনুক ভর্তি উপঢৌকন নিয়ে খুঁজে নিচ্ছে নিজের নিজের পদ্মদিঘি। অন্তত ভালো থাকার জলাশয়৷
আচ্ছা, ভালো থাকা আসলে কি? ব্রহ্মের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই৷ অথচ সূর্য নিজের ঝুলি থেকে একটা বাঁশি কিনে এনেছে। সে জানে না এখানে বাঁশির শব্দে সকাল হয়। ভালো থাকায় আলো জ্বলে। চেনা কণ্ঠ উচ্চারণ করে পরিচিত গায়ত্রী মন্ত্র।