সাপ্তাহিক রম্য সাহিত্যে মন্দিরা হাজরা (বসু) (পর্ব – ৫)

পূর্বেই  বলেছি  যে এই দিদিমনিরা নিজ নিজ “বাগ কিলিং” ফিল্ড সম্পর্কে  অতীব স্পর্শকাতর । সিঙ্কস্পেশালিস্ট  দিদিমনি  আচমকা গ্লাস উল্টানো মেঝে মুছে দিতে অস্বীকার করেছিলেন বটে কিন্তু  মিষ্টি হেসে ওই বিষয়ে বিশেষজ্ঞাকে  ডেকে  দিতে দেরি করেননি । ই.এন.টি.’ কে এমনিতেই আমার অন্য গোলার্ধের বিষয় বলে মনে হয় । দীর্ঘ দিন  ধরে  এই  সব ঘটনার ঘনঘটায় আমার হাড় শিরশিরোনো ভয় হতে লাগলো যে উইন্ডো ডিসপ্লে ( পড়ুন ” ঘরমোছা” ) ঐসী হলে  ব্যাকস্টেজ ম্যানেজমেন্ট  (পড়ুন ” স্পেশালিস্ট সার্জেন” ) না জানি কি  চীজ মালুম হবে ! আমি  দুঃস্বপ্ন দেখতে লাগলাম যে আমার কনসালটান্ট আমাকে দেঁতো হেসে বলবেন ,ঠিক সেই পড়া গপ্পোটির মতো, ” সরি  দিদিভাই , আমি শুধু বাঁ কান দেখি কিনা ; আমাদের ডানকান (মানে যে দুখে আমি দুখী )স্পেশালিস্ট আবার  লম্বা ছুটিতে কিনা , মানে বুঝতেই তো পারছেন …… হেঁ  হেঁ …..!” তবে  এ কথা অনস্বীকার্য যে এই পরিস্কত্রী দিদিমনিদের আন্তরিক কর্মনিষ্ঠার কারনেই  এতো দীর্ঘকালীন হাসপাতাল বাস সত্বেও কোনো সুপারবাগ আমাকে কব্জা করতে পারে নি ।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।