ক্যাফে ধারাবাহিক গল্পে মনোরঞ্জন ঘোষাল (পর্ব – ৫)

টলি ট্যাব আবিষ্কার

সে বলল “হ‍্যাঁ। সেটিও করে দেখেছি। সেই দিন গুলোতেও মরে গেছে। কিছুই দেখতে বা বুঝতে পারি নি। রাতে ঘুমিয়ে পড়ার মত সব শুয়ে পড়ল দেখলাম। তার পরে দিনের আলো উঠলেও আর ওরা জেগে উঠল না!”

বেশ ভাবিয়ে তুলছো হে। বেশ ভাবিয়ে তুলছে তোমার কথা। তা ওষুধ এখানে নিয়ে এসে প্রয়োগ করলেই তো হয়?

“না। তার উপায় নেই। সদ‍্য প্রস্তুত ওষুধেই কাজ হবে। তবে প্রিজার্ভ করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে। সে পরে দেখা যাবে। আগে তো সফল প্রয়োগটা করা যাক। সেটিই করতে পারছি না!” তার কথায় কেমন যেন এক অজানা অদ্ভূত রহস‍্যের গন্ধ ভেসে এল। তার বলা কথা গুলো আমার মাথায় পেরেক ঠুটে যাবার মত গেঁথে গেল।

ডেনিয়লের সমস‍্যার কথা শুনে তার কারণ খোঁজের চিন্তা মাথায় ভর করে বসল। ওকে বললাম আজকের রাতটা আমি ভেবে দেখি। কাল সকালে যা হয় একটা উত্তর দেব।

কথা শেষ করে আমি চলে এলাম নিজের রুমে। বাড়ি ফেরার চিন্তা গেল উবে। সেখানে আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে ভাবতে থাকলাম ডেনিয়লের সমস‍্যার কথা। কিছুই ভেবে উঠতে পারলাম না। কেবলই ঘুরে ফিরে মনে হচ্ছে একটি বার নিজের চোখে না দেখলে কিচ্ছু বুঝতে পারা যাচ্ছে না। আবার এই ভাবে একা একা কাউকে কিচ্ছু না জানিয়ে বিদেশ বিভুঁইয়ে গিয়ে আবার কোন বিপদে পড়লেই হল। তবে আমি কিন্তু সব সময় তৈরী অবস্থায় থাকি। অতর্কীতে কেউ অল্প সময়ের জন‍্য বিপদে ফেলে দিতে পারে তবে তা দীর্ঘ মেয়াদের হতে পারবে না। রাতে অনেক ভেবে দেখলাম। ওখানে গেলেও আমার বাড়িতে একবার যেতেই হবে। সেখানের অগোছাল সব জিনিস পত্র আমাকে সামলে রেখে আসতে হবে।

পরের দিন সকালে তাকে উত্তর দিলাম। আমি ওখানে যাব। তবে তার জন‍্য আমাকে একটা সপ্তাহ সময় দিতে হবে। বাড়িতে বিশেষ কাজে ফিরে আসার জন‍্য।

ও জিজ্ঞেস করল – “ঠিক সাত দিনই লাগবে?”

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।