সত্যি সত্যি সেই বাঁশিওয়ালা ছেলেটা
একদিন কবি হয়ে গেল
ঝর্ণা হয়ে গেল গান
নদীর জলে কলম ডুবিয়ে
পলাশ পাতার নাম লিখে দিল পাথরে
ধানের তুষ মেখে শরীরে
চাষী হয়ে গেল সৈনিক
ঘরের পাশে পাশে বয়ে চলা নদীটি যেদিন
থেমে গেল যোজন দুরের বাঁধে ।
রোদ ও ছায়া
একটি ছেলে হতে চেয়েছিল রোদ
মেয়েটি চাইতো ছায়া
মেয়েটি যখন রোদ হয়ে গেল
ছেলেটি বদলে নিলো চাওয়া!
ছায়া? মেয়েটির মতে সে বড়ো মেয়েলি হবে এখন
তুমি না হয় অন্য বাঁকে নদীতে বাঁধ দিও
ছেলেটি এখন রোদের জন্য শব্দহীন
শিশির রেখেছে বুকে।
মলয় বন্দ্যোপাধ্যায়