ধলেশ্বরীর অন্য ধারায় ভ্রমণ কাহিনী তে লোকমান হোসেন পলা

ফরাসি উপনিবেশ
কালের স্বাক্ষী চন্দন নগর

চন্দন নগর ২৫০ বছর ফরাসি সম্রাজ্যোর অধিনে থাকা
ভারতবর্ষের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তথা হুগলী জেলার একটি বিশেষ জায়গা যা ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে রচিত,,ফরাসিদের উপনিবেশ থেকে শুরু করে কবি,সাহিত্যিকের জায়গা,কি নেই এখানে।এই ইতিহাস এবং আমার প্রিয় দিদি দীপান্বিতা কে দুচোখে প্রাণ ভরে দেখবো বলো। কলকাতার কবি শিশির দাশগুপ্ত কে নিয়ে চন্দন নগরে পথে ট্রেনে যাত্রা, দিদি একটু পর পর ফোন দিয়ে বলেদিছেন কি ভাবে আসবো এবং উনি ঠিক রাস্তায় দাড়িয়েই আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন, দেখা হলে দিদির সাথে উনি এবং উনার স্বামী প্রণয় সাধুখা একমাত্র ছেলে পিন্কন সাধুখা যেভাবে গ্রহন করলেন তা শুধু নিজের চোখে না দেখে, বলে বুঝানো যাবে না, মনে হলো ওরা আমার আর জনমে কেহ ছিল। খাবার টেবিল আগে থেকেই সাজানো আয়জন দেখে আমার চোখ দুটো ছানায় ভারা! মিস্টি ই ছিল দশ পদ। ভালো লাগলো চন্দরনগরে রসেভারা সন্দেশ খেয়ে, খাবার শেষ এবার চন্দরনগর দেখার পালা ওরা তিনজন মিলেই চন্দরনগরের বিভিন্ন বিষয় বলেন, এবার দিদি নিয়ে এলো চা। চা শেষ করে ওনাদের ব্যাবস্তায় গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম প্রথমে আন্জুমানের তৈয়েরী মসজিদে দেখা আমি নামাজ পরে নিলাম।
স্বাধীনতার পূর্বে ভারতের ইতিহাস পড়লে আমরা ব্রিটিশ ও ফরাশিদেরর অনেক কাহিনী পড়ে থাকি,সেখানেই উঠে আসে চন্দননগরের নাম, গঙ্গা নদীর ধারে অবস্থিত চন্দননগর, শহরটি জগদ্ধাত্রী পূজোর জন্য বিখ্যাত,যেখানকার জগদ্ধাত্রী পূজো দর্শনে আসেনবহুবিদেশীও
ফরাসিদের উপনিবেস্থল চন্দননগরে রয়েছে পাতালবাড়ি,কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একসময়ে নদীপথে এসে এই পাতালবাড়িতেই সময় কাটাতেন বলে শোনা যায়
ডুব্লেক্স-এর মিউজিয়াম ,ডুপ্লেক্স-এর ব্যবহৃত নানান জিনিস ‘এখনও সংরক্ষন করা আছে,
প্রতিবছর জগদ্ধাত্রী পূজোতে আলোর কারুকার্য চোখে লাগার মতো,গোটা শহর জুড়ে প্রায় তিনশোটি ঠাকুর পুজো হয়

“চার্চ,ডুপ্লেক্স কলেজ, কি নেই এই শহরে,ঐতিহাসিক শহর হিসাবে এর খ্যাতি নানা জায়গাতেই রয়েছে, রাতে দেখা চন্দন নগর অন্য আলোয় আলোকিত। সব আলোর মধ্যে আমার দিদি পরিবারের সকলের সজতার আলোক আমার ওকবি শিশিরের মনে ভালোবাসার অন্য এক ঝলক,।( ছবি প্রণয় ও শিশির দা)।

Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!