যেখানে সাদা মেঘের সাথে পাহাড়ের সখ্যতায়
বুঝি আলোয়ান জড়িয়ে রয়েছে শীতের পাহাড়
যেখানে কুয়াশারা শুয়ে থাকে অহর্নিশ
মাঠে খেতে খামারে নদীর বুকে-
হেঁটে বেড়ায় সবুজে ঘেরা সাদা পথ ধরে
যেখানে বন হাঁটে -পাহাড়ও দৌড়ায়
বিছানাকান্দির বৃষ্টিভেজা হরিতাভ পাহাড়ে
তরঙ্গায়িত বরফ জলে কিংবা স্রোতে ভেসে আসা প্রস্তরখণ্ডে
পরিযায়ীদের রোদ পোহানো ছিল আধশুখা হাওড়ে –
মাজুলি দ্বীপের সমস্ত শরীর জুড়ে
হাজার মাইল উড়ে আসা ক্লান্ত শরীর
জুরোতো কমলারাণী দীঘির শীতল বাষ্পে
মনিহরণ সুড়ঙ্গে ছিল কৃষ্ণের স্মৃতি
ভিড় করে জমে আছে সমস্ত অর্কিড
হিংসায় নৃত্যহীন ড্যাফোডিল-
কবিতারা হেঁটে যেতো হাফলং লেকে
লতানো গোলাপ চুমু খায় দোতলার বাতায়ন
রঙঘর থেকে দেখা যেতো হাতিরা যুযুধান
ধান খাওয়ানোর বাহানা ছিল
জালালী কবুতর আর গজার মাছের বুভুক্ষায়
ছিল বৃষ্টির একটানা শব্দ বিহুর রঙিন মেখলায়
সমতলে ঘাসেদের ডগায় এখনো হীরের নাকছাবি
কড়াইশুঁটির শিখরে রামধনুর প্রতিচ্ছবি
কুয়াশার চাদর এখন গোটা মাঠ জুড়ে
আভূমি কুর্নিশ করেছে সঙ্কীর্ণ আলপথ ভরে
সাদা বলাকার দল উঞ্ছবৃত্তিতে
উঞ্ছক সবুজ তোতারাও উদরপূর্তিতে
পিঁপড়েরা ঝুলে থাকে রঙীন ডালিয়ার শরীরে-
উড়ন্ত পুরুষ ডানাহীন সঙ্গিনীর খোঁজে
নীল আকাশে উড়ে চলে মুখপোড়া ময়ূরপঙ্খী
ছাড়তে ছাড়তে সুতো শেষ- লাটাইয়ের শেষে গ্রন্থি
ছিল মুঠোভরা প্রেম বুঝি শীতের রোদে শিশিরের উষ্ণতায়
উবে যায় ভেসে যায় যত ভালোবাসা জাগতিক বাসনায়
নাকি ভাত রুটি বা একটা হোগলাছাওয়া বাসার কামনায়