দেশ-অন্তর সংসর্গ তে বিপ্লব গোস্বামী (আসাম)

ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য স্বাবলম্বী হওয়া একান্ত প্রয়োজন
অপরের কোন সাহায্যে বা সহযোগিতার ওপর নির্ভর না করে নিজের শক্তির সাহায্যে জীবন পরিচালনা করার নামই হলো স্বাবলম্বন।এই স্বাবলম্বীতা বা আত্মনির্ভলতাই হচ্ছে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশের ও সাফল্যের মূল সোপান।যুগ যুগ ধরে স্বাবলম্বী ও সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষরাই মানুষের ভালোবাসা লাভ করে আসছেন।যারা স্বাবলম্বী ও সুপ্রতিষ্ঠিত, সাধারণ মানুষ তাদের আদর্শ অনুসরণ করে থাকে।যারা আপন সাধনার দ্বারা জীবনে কিছুই অর্জন করতে পারে না তারা জগতে কিছুই দিতেও পারে না।তাদেরকে কেউই ভালোবাসেন না।জগতে যাঁঁরাই বরণীয় পুরুষ,যারাই সুপ্রতিষ্ঠিত ,যারা অনুপ্রেরণার উৎস তাঁঁদেরই চরিত্রে স্বাবলম্বন শক্তির অমিত দ্যুতি দেখতে পাওয়া যায়।আমরা যদি ইতিহাস অধ্যয়ন করি তবে দেখতে পাবো,প্রবল প্ররাক্রান্ত সম্রাট নেপোলিয়ন প্রথম জীবনে ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক মাত্র।তিনি পরিশ্রম ও কর্মনিষ্ঠার ফলে জীবনের লক্ষ্যে ও সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেছিলেন।এমনকি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ও বিখ্যাত বিজ্ঞানি জগদীশচন্দ্র বসু বা গ্যালিলিও বা নিউটন প্রমুখ মহামানবগণের জীবনেও প্রবল অধ্যাবসায় ও স্বাবলম্বনের শক্তিই দ্বারাই গুণী জনে পরিণত হয়েছেন।অধ্যয়ন,একাগ্ৰতা, কর্ম,নিষ্ঠা ও সাধনার মাধ্যমেই তাঁঁরা মহান পুরুষের আসনে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠা করে গেছেন।
স্বাবলম্বনই হচ্ছে ব্যক্তি জীবনের উন্নতির মূল সোপান।সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও আত্মশক্তির মাধ্যেমে মানুষ তার উন্নতির চরম শিখড়ে পৌছে অমরত্ব লাভ করে থাকে।স্বাবলম্বন ও আত্মশক্তির মাধ্যমে মানুষ লাভ করে তার কাঙ্ক্ষিত বিজয়।স্বাবলম্বনই হচ্ছে মানব জীবনের চরম স্বার্থকতা।এক কথায় বলতে পারি কোন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য প্রথমেই তাকে স্বাবলম্বী হতেই হবে।