কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আবদুর রাজ্জাক

এগারটি ময়ূর আর আমার কাঠের দু’খানা পা
হাজার দুঃখের মোমবাতি নিভিয়ে তোমার শোক
আমার শিয়রে ঘুমায়,
ধীরে স্নিগ্ধ পূর্ণিমা ঝরে শিশিরের মতো।
তুমি কি নক্ষত্রের হাসি!
শত্রু নেই, মিত্র অনেক, তারা অবিরাম সংঘাত।
তুমি ফিরে যেতে পারো না, কোনোভাবেই না।
মৃত্যুই সংযত প্রার্থনা, তোমার——
বর্ণনাযুক্ত দু’খানা পা দেখেছিলাম দু’সপ্তাহ আগে,
নিশ্চিত পা দু’খানা তোমারই ছিলো।
আমার পা সুলতানের কারুকাজ করা, খুব সুন্দর পা।
সন্ধ্যায় সন্ধ্যাক্ষরের পাখিরাও আসে, লাল প্যারাফিনের
লণ্ঠন জ্বেলে। সরগম মেনে বাঁশি না বাজালে
ঈশ্বরও কাঁদেন, প্রতিভা নষ্টের কারণে।
প্যারাফিন নিঃশেষিত হলেও ভালোবাসা প্রজ্বলিত থাকে,
পাপড়ি ঝরে পরা——জুনিপোকারা——-নীল না-হয়ে
সোনালি প্রকৃতির হলেও, বৃক্ষের কম্পনও টের পায়।
হোক তা মৃদু, হোক তা হোমোসোফিয়ান গোধূলি যাত্রা।