T3 ক্যাফে হোলি স্পেশাল এ অনির্বাণ চ্যাটার্জি

হোলি
হোলি এলেই ভগবত পুরাণের কথা মনে পড়ে
সেযুগে ভোট ছাপ্পা ভোট করে রাজা হতে হতো না
ভোলা ভালা হাইকমান্ডের চেয়ারম্যান ব্রহ্মা
কতো অযোগ্য অত্যাচারী ভয়ংকর রাজা বানাতেন
অসম্ভব ক্ষমতা তুলে দিতেন রাজাদের হাতে
ক্ষমতা হাতে পেয়ে সে রাক্ষস হয়ে যেতো
নারীর ইজ্জত লোটা থেকে শুরু করে মানুষ কে হত্যা
লুটপাট সব চলতো
এমনই একজন বরপ্রাপ্ত রাজা হিরণ্যকশিপু যাকে
কেউ কোনও অস্ত্র দিয়ে মারতে পারবে না
দিনে বা রাতে, গৃহে, জলে স্থলেঅন্তরীক্ষে
হিরণ্য কশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ পিতার বিরুদ্ধে কথা বলতো বলে
নিজের পুত্র কেও বারবার হত্যা করার চেষ্টা করেছিলো সে
দেবতা সাম্রাজ্যে সামান্য গনতন্ত্র ছিলো বলে সে বারবার বেঁচে যাচ্ছিল
শেষ কালে বোন কোলিকাকে দিয়ে হত্যার চেষ্টা হলো
কোলিকা বর পেয়েছিল,অগ্নি তাকে স্পর্শ করবেনা
সে ভাইপো কে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলো
তারপর তো সবাই জানে কী হলো !
নরসিংহ অবতার হয়ে বিষ্ণু হত্যা করলেন হিরণ্যকশিপু কে
গনতন্ত্র রক্ষার ভার তখনও ভালো লোকেদের হাতে ছিলো
আজকের দিনে অনেক হিরণ্যকশিপু ক্ষমতা সীন
দোলপূর্ণিমা য় রাত্রে জোতস্নার চাঁদ ভেসে যায় বৃন্দাবনের আকাশে
তুমি ফর্সা আমি নীলবর্ণ বলে তোমায় রঙ মাখিয়ে কালো করি
তোমার সঙ্গে নাচগান আর আনন্দ করি রাধে
আমার মন কিন্তু পড়ে থাকে হিরণ্য কশিপুদের দিকে
যারা হত্যা করে,করতে চায়, শিশু কিশোর দেরও ছাড়ে না
কলিযুগে মানুষ মাথা উঁচু করে বাঁচবে………