গদ্যের পোডিয়ামে অমিত বাগল

জীবন জীর্ন নয়

তখন উৎকন্ঠার ভাড়াবাড়িতে…

হাতে রেজিস্টার নিয়ে মালকিন-বৌমা মাসিক ভাড়া নিতে উপর থেকে নীচে নেমে এসে আমাদের ঘুপচি রুমের কলিংবেল বাজাতেন। রাত থাকতে চুপিসারে বরাদ্দের পানি টেনে নিতেন।

১১ মাসের মুসাবিধা…১২তম মাসে ফটাস্ করে %বৃদ্ধি…

কান্নাকে আমরা ফোঁপাতেও দিইনি।আমরা মানে,গোটা-আকাশের এক ছোট্ট ঘর, যা উৎপাটিত হয়ে গেসলো অত্যাচারে অত্যাচারে…

ভালোবাসা চলে গেলে নিহত দুয়ার

দোর খোলা দিয়ে দৌড়…আমাদের আর ডাকলোনা পেছন থেকে কেউ। সোজা-সরলার ঘর আকাশেই রয়ে গেসলো,বাতাসেও বন্ধ দুয়ার…কোথা থেকে দুবেলা দুমুঠো এনে দেবে বোকাসোকা বাপ! ত্যাগ কি পরিত্যাগ! সুমিত্রা ভবন ? উৎকন্ঠার ভাড়াবাড়ি…মাসিমা খারাপ ছিলেননা ততটা,আমাকে পিয়ারি কার্ডিন ডটপেন দিয়েছিলেন।

যে জীবন সাধনার সে জীবন জীর্ণ হয়না। রুপাই একঝলক রোদ্দুর মুঠো ভরে নিয়ে এসেছে…জয়েন্ট-এ বি,ফার্ম। সেমেস্টারে সেমেস্টারে জয়। ডে-স্কলার থেকে উইপ্রোর TTT

একটু একটু করে মাটিতে ঘর উঠেছে।আকাশের ঘরবাড়ি সেই কো-ও-ন সে সকাল থেকে ভাঙা…
মাটিতে ঘর। কুমকুম-রুপাই কতো খেটেছে ! চোখেমুখে আমাদের আনন্দ জমেছে। দুঃখ একটাই, হার্টে ফুটো মেজদিটা ওর আকাশেই মরে গেছে।

আমরা খেলাঘরের ভয়াবহ খেলাটি জিতেছি। আনন্দ। আনন্দের পূজাপাঠ। একদিন এসো সবাই—

আমার আনন্দের “বোতাম-ঘর “-এ

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।