গুচ্ছ কবিতায় চিরঞ্জীব হালদার

ক্রয় ও সেতুর সমাহার
কে কিনতে বলেছে হাঁড়ি ও সহজ বাসন।
সাঁকোটাই জানে
কোন চোর আলপথে বদলে নেয় রাতের পোষাক।
কে কিনতে বলেছে খবরদারী ও কদমফুল।
জানেনা এক বিন্দু কি কাজে লাগে।
ধুতরো ফুলের হাসি কোন ক্ষতে নিরাময় দেবে।
বউ ও বৌদ্ধ মন্দির।
মাঝে সব জাগতিক কৌতুহল।
রচনা করেছে পথিক। সুস্মিতা পথ্য।
কে কিনতে বলেছে সম্পর্ক যেটুকু কম পড়ে ।
কে কিনতে বলেছে হারামী সংসার।
চোরেদের ভালবাসা সহজ ও অবৈধ
চড়া ধরে সেতু পার হয়ে কুঝিক্ কুঝিক্।
কে কিনতে বলেছে বাসরঘরের আলো।
সেতু জানে। বলেছে বলবেনা।
হাঁড়ি ও পাতিল অবশ্য বলেনা।
সহজগ্ৰাম
কোন পথ সহজগ্ৰামে যায়
কোন পথে বর্ণময় পঞ্চশর।
উদিত হরিণ ও দূর্বাচটি ঘুম
আলোকিত সুপারির স্তর।
জেগে থাকে অলন্ঠন গৌরাঙ্গ
একাকী জলসত্রে ভাটি বক।
চক মিলানো সহবত দালান
অখোকার জন্য কাঁদে বক।
কথা ও কচ্ছপ প্রবীনা নারী
বিগত যৌবনা স্বচ্ছ আলপথ।
সহজগ্ৰামে চেনা জমায়েতে
সম্ভাসন জাগে দিদুনের নথ।
শ্রীচরণ দোকানীর আড়াই জিলিপি।
নোন্তে বালির অসহিষ্ণু বাটখারা।
সহজগ্ৰামে রাতের হাহারাদার।
প্রাচ্য ও প্রতীচ্যে অবন্টিত কারা।
সহজগ্ৰাম প্রহরী হিমোগ্লোবিন।
কাঁটা ও কূসুম থেকে ধ্রুব
সহজিয়া ফেরো রোজ রাতে।
ভালো থেকে ডাহুকেরা কুবো।