শিল্পীরা কি অপরাধী হয়? খুনী, মাফিয়া? ধর্ষণ শব্দটা আপেক্ষিক। ইতিহাসে দেখা গেছে, মহিলাটি তা স্বার্থ না উদ্ধার করতে পারলেই, পুরুষটিকে শায়েস্তা করার জন্য ‘ধর্ষণ ‘ শব্দটি অনেক সময় ব্যবহার করে, ফলে ধর্ষণ একটা ধান্দাবাজ শব্দ গোছের, এটা আমার মনে হয়।মহিলা ইচ্ছা করে সহবাস করছে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে, যে কোন সময়ে আপনাকে হ্যারাস/ বিপদে ফেলার মতলব করতেই পারে। মহিলাদের বাস্তবিক ক্ষমতা, ‘প্রসব’ করা ছাড়া আর কোনদিকেই পুরুষের তুল্য নয়। এমনকি রান্না করা ঘরদোর সাজানো ইত্যাদিতে। দেখবেন অধিকাংশ হোটেলে রান্না করে পুরুষ, উৎসব পার্বনে বহুজনের জন্য রান্না করে পুরুষ এবং তা মহিলাদের চেয়ে অতি মাত্রায় সুস্বাদু। ‘ধর্ষণ’ শব্দটা মিথ। এত অতিমাত্রায় প্রচার একে Draconian law বানিয়ে দিয়েছে। মানে অপরাধের যোগ্যতাহীন গুরুদন্ড। মহিলারা একে হাতিয়ার করে পুরুষ শাষায়।
the 17th-century artist Artemisia Gentileschi
বারোক যুগের ইতালিয় পেইন্টার Artemisia Gentileschi (1593–1652) কে Agostino Tassi (Italian, born circa 1579–1644) ধর্ষণ করেছিল ১৬২০তে।। এই কেসটা ডিটেইল যদি পড়েন, দেখবেন, আগস্টিনো, নিঃসন্দেহে, আর্টিমিসিয়াকে বলপূর্বক যৌন সহবাস করেছিল।
কিন্তু ১। তিনি প্রথমে তাকে মেনে নিয়েছিলেন, যে, তিনি অবিবাহিত, তাকে বিয়ে করবে,পরে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন।
২। তিনি আগস্টিনোর বিরুদ্ধে যদি না অভিযোগ আনতেন, তাহলে ধর্ষণের গল্পটাই ঘটতনা।
আমরা দেখেছি, ইতিহাসে, ছেলেরাই জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে মেয়েদের বিয়ে করে, কাউকে উপহার দেয়, বা বস্তুর মত ব্যবহার করে। এই ব্যবহারের বিরুদ্ধে মেয়েদের মুখ খোলা ছিলনা। মেয়েরা পুরুষের এই বলকে সর্বদা শ্রদ্ধাই করত। এগুলি সবই ইতিহাসের ঘটনা।
আগস্টিনো বিবাহিত ছিল জানতে পেরেই আর্টিমিশিয়া বুঝল সে প্রতারিত হয়েছে। এবং প্রতিহিংসার জন্য ধর্ষণ শব্দটা এনে আগস্টিনোকে শাস্তি দিয়েছে। একবছর সময়কাল আগস্টিনোর শাস্তি হয়েছিল ধরা হয়।
Caravaggio র সুনাম পেইন্টার হিসাবে, বারোক পিরিয়ডের, বিখ্যাত। কিন্তু তিনি ভারী মারকূটে ছিলেন।এই ঝগড়া বা গুন্ডামীর জন্য তাকে বহুবার রোম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।বা তাকে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। ১৬০৬ তে তিনি একজনকে খুন করে পালিয়ে যান।তখনকার দিনে কমিশন বা কাজ পাওয়ার বরাতের জন্য অনেক কসরত ও মারামারি হত।বেশ্যাদের মডেল হিসাবে ব্যবহার করা হত।কোনো ছবির খারাপ সমালোচনা হলে রাগে ছিঁড়ে ফেলতেন।মুড খারাপ থাকলে, হতাশায় ভুগলে, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তিনি ঘুমাতেন। Caravaggio তিনি মারা যান রহস্যজনক ভাবে।কেউ বলে ম্যালারিয়া হয়েছিল, কেউ বলে তার সিফিলিস হয়েছিল, কেউ বলে তার এত শত্রু হয়েছিল কেউ মেরে দিয়েছে চালাকি করে।
তবে আধুনিক বিজ্ঞানীরা তার হাড় ইত্যাদি পরীক্ষা করে বলেছেন সীসার আধিক্য যা রঙ্গে ব্যবহার হয় toxic level of lead তার জন্যই মৃত্যু হয়েছে। তিনি কখনো বিয়ে করেননি, বেশ্যাদের সাথে ও মজলিশ মহলের নারীদের সাথে যৌনতা করেছেন। জীবনে কোন ন্যুড ছবি আঁকেননি।পুরুষদের মধ্যে পুরুষের ভাললাগা তার অনেক পেইন্টিংর বিষয় ছিল। ঐসময় “Romans” excessively practice sodomy or homosexuality। ১৬১০ খ্রীস্টাব্দে ৩৮ বছর বয়সে তিনি মারা যান।
লন্ডনে একটা শো/ প্রদর্শনী হয়েছিল Painter Jusepe de Ribera as a Master of Violence দক্ষিণ লন্ডনের ডুলউইচ পিকচার গ্যালারিতে Dulwich Picture Gallery।
১৭ শতাব্দীতে নেপলস ছিল বিপজ্জনক স্থান। প্রতিযোগিতা শিল্পীদের মধ্যে এতই তীব্র ছিল, যে, বরাত পাওয়ার জন্য শিল্পীদের মধ্যে অবিশ্বাস, শত্রুতা, ও মারামারি লেগেই থাকত। খুন খারাপি প্রচলিত। এই ভূমধ্যসাগরীয় শহরে Mediterranean city পরিশ্রমী মেধাবী শিল্পীদের জন্য এটি আলাদা ছিল না – আসলে তারা তাদের বিশিষ্ট সহকর্মীদের বা সমসাময়িক শিল্পীদের থেকেও নিরাপদ ছিল না। নেপলসের কেন্দ্রে বিখ্যাত গীর্জা the grand cathedral ডুওমো ডি সান গেনারোতে in the Duomo di San Gennaro, ফ্রেস্কো আঁকতে গিয়ে যখন ডোমিনিচিনো Domenichino রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মারা যান, তখন জুসেপ ডি রিবেরাকে Jusepe de Ribera তার প্রতিদ্বন্দ্বী হত্যার সন্দেহ করা হয়েছিল।
রিভেরা, কুখ্যাত শিল্পীদের গ্যাং the Cabal of Naples এর সদস্য ছিলেন। Domenichino যে গীর্জার ফ্রেসকো করছিলেন, সেটা করা ভীষণ সম্মানের ও দারুন বরাতের ব্যাপার ছিল। তার মৃত্যুর পর ভাবা হয়েছিল Guido Reni কে দিয়ে করানো হবে। Guido Reni বাইবেলের নানা ছবি করে বিখ্যাত। কিন্তু তিনি নেপলস্ ছেড়ে পালিয়ে যান। কারন তার সহকারীকে এই কাজটার জন্য বেধরক কারা পিটিয়েছে।গুজবে আছে, স্প্যানিশে জন্ম রিভেরা এ কাজ করেছে। ১৬৪১ সালে রিভেরাই ফ্রেসকো গুলি করে।
লন্ডনে যে প্রদর্শনীটি হবে তাতে মূলতঃ Jusepe de Ribera র কাজই দেখানো হয়েছে। এই শিল্পীর কাজের বিষয় হল ভয়ঙ্কর অত্যাচারের ছবি, মারামারি কাটাকাটির ছবি, ফাঁসীতে ঝুলানোর ছবি। পিছমোড়া করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে, এমন ছবি। মানে সব বিষয়গুলি হিংসা ও আতঙ্কের ছবি।যেহেতু রিভেরার ছবি হিংসা ও আতঙ্কের সেইহেতু লোকে ভাবে রিভেরা খুনী, কিন্তু তার প্রতি এই সন্দেহের কোন প্রমাণ নেই। যেমনটি অন্যদের ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে।
“Ribera: Art of Violence,” September 26 through January 27, 2019, Dulwich Picture Gallery, London