কি বুঝলেন নন্দ-স্যার কে জানে ! নাচ যখন থামালেন, তিনি তখন হাঁফিয়ে গেছেন । দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন । ভয় হচ্ছে শ্রোত্রিয়ের । মায়েরও চিন্তা হচ্ছে বাড়িতে । অবশ্য নন্দ – স্যার সঙ্গে রয়েছেন ।
স্যার বললেন,
চল তোকে বাড়ি অবধি পৌঁছে দিয়ে তবে আমি যাব ।
মা ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল । নন্দ-স্যারকে দেখে হাত তুলে প্রণাম করল মা ।
আসবেন না স্যার !
নন্দ – স্যার বললেন – পরে কখনও আসব ।
নন্দ স্যার যেতে যেতেও একবার ঘুরে দাঁড়িয়ে ডাকলেন ।
শ্রোত্রিয় কাছে গেল ।
তুই তো ফুটবল খেলিস তাই না!
শ্রোত্রিয় বলল,
হ্যাঁ ।
ফুটবলটা আনতে পারবি !
দৌড়ে গেল শ্রোত্রিয় । খাটের নীচ থেকে সাদা-কালো ফুটকি আঁকা রাশিয়ান বলটা নিয়ে এলো । আলতো করে শট নিল শ্রোত্রিয় ।
নন্দ স্যারের ডান পা চুম্বকের মতো টেনে নিলেন বলটাকে । তারপর পায়ের পাতায় রেখে নাচাতে লাগলেন । পায়ের পাতা থেকে ঊরু, সেখান থেকে কপালে ।
মন্ত্রমুগ্ধের মতন তাকিয়ে রয়েছে শ্রোত্রিয় ।
কপাল থেকে বল আবার ঊরুতে নামলেন তারপর পায়ের পাতায় স্পর্শ করে একটা সাইড ভলি মারলেন । বলটা লাট্টুর মতো ঘুরছিল ।
সামান্য হাঁফালেন স্যার । একটু বিরতি নিয়ে বললেন,
জগিং করিস তো – মাঠে নামার আগে ।
শ্রোত্রিয় বলল, হ্যাঁ । রোজ একসারসাইজ করি ।