সকালবেলায় মায়ের হাতের এক গ্লাস জল
খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই
আমার শরীরে নদী বইতে শুরু করে।
যে-নদীর কূল নেই—- কিনারা নেই।
আমার মন নৌকো হয়ে যায়—- যার হাল নেই—-
পাল নেই—- সেঁউতি নেই।
কোথায় যাব —-কোথায় যাব না,
দূর থেকে দেখব না কাছে গিয়ে বসব—-
মা সব বলে দেয়।
বাজুবন্ধে চিমটি কেটে আরও বলে দেয়
মাঝপথে খেয়ে নিস বেলপোড়া শরবৎ।
নৌকো চলতে শুরু করে
নদীর জল থেকে খসে পড়ে জলের খোলস
শঙ্খচিল ঘুরপাক খায় কানের দুপাশে
পশ্চিমা হাওয়ায় বোধ ও বোধির পাল্লা খুলে যায়
নৌকো চলে—- সূর্যের কিরণমালা আগুনকথা বলে জলকেলি শেষ করে চলে যায় মেঘেদের বাড়ি