শখের ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখা গোলাপটার দিকে একটিবার দেখো তাকিয়ে
দেখো তার বাহার তার চমক,
তার মন কাড়া সৌরভের মাতাল গন্ধে
একদিন বিভোর হয়ে দেখো।
দেখবে নিজের সবটুকু অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে তার চারিপাশটুকু রেখেছে ভরিয়ে।
তবুও তার মনের গভীরে কোথাও যেনো লুকিয়ে থাকে এক নিগূঢ় যন্ত্রনা।
বিরহের সুর ভেসে আসে তার দিলরুবার প্রতিটা তারে।
হাসি মুখে সয়ে চলেছে,
অবলীলায় বয়ে চলেছে একবুক গভীর যন্ত্রনা।
শেষ রাতের সূর্যোদয়ের আগেই তার ঝরে পরার যন্ত্রনা,
সবটুকু দিয়ে তোমাদের শখের পেয়ালা ভরিয়ে রেখে,
খালি হাতে নিঃস্ব হয়ে ফুরিয়ে যাওয়ার যন্ত্রনা।
একটু একটু করে নিজেকে করেছিলো শোভিত,
তার রুপ, রস, গন্ধ দিয়ে।
শুধু একটি বারের জন্য
তোমাদের ভালোলাগার আবেশে তার নিজেকে খুঁজে পাওয়ার কামনায়।
বিশাল ছিলো সখ,
তোমাদের সাজানো ফুলদানিতে থাকবে হয়ে সৌরভী।
তার ছিলোনা জানা, শখের স্বপ্ন চোখ থেকে গেলে ঘুছে
তার জায়গা হবে ডাস্টবিনের এক কোনে।
তার সেই বাহারি রূপ, তার মন মাতানো সৌরভ,
একলহমায় হবে নিঃশেষ,
গভীর রাতের রঙিন বাতিগুলো নিভে যাওয়ার সাথে সাথে।
সোনালি স্বপ্নের নেশা যাবে কেটে,
নামবে গোলাপী সন্ধ্যে।
একটা নতুনের অপেক্ষায়,
রঙিন আলোয় সাজবে পুরো শহর।
কাটবে সময়, কাটবে দিন, বছর, মাস
তবুও তার কথা কেউ রাখবে না মনে,
কেউ দেখবে না তার প্রতিটা পাপড়িতে ছিলো লেখা
প্রস্ফুটিত হওয়ার একরাশ আকূল অভিলাষ।