।। ত্রিতাপহারিণী ২০২০।। T3 শারদ সংখ্যায় ওয়াসিম সেখ

“এই তো ভালোবাসা”

তোমার দেখা পেয়েছিলাম কোন এক সন্ধিক্ষণে, তোমাকে দেখার পর’ই ভালোলাগা জন্মেছিলো গহনে।
জানিনা কেন অনুভূতি জেগেছিল তোমার প্রতি মননে।
আবেগে ভেসেছিলাম তোমার’ই নিভৃত আবাহনে।

তোমার সেই কায়ার কেশ যেন আমার বদন ছুঁয়ে গিয়েছিল,
মৃদু বাতাসে দুলছিলো অফুরন্ত উড়ন্ত আবেশ মায়া জাগিয়েছিল।
অভূত পূর্ব তোমার সেই নিধানে চিত্তে শিহরণ জেগেছিল তোমাকে পাওয়ার আশায়,
ভেসে যেতে ইচ্ছে করছিলো স্রোতসিনী বেয়ে কোন মায়াবী সাগরে,

যেখানে তুমি-আমি অক্লান্ত পরিসরে একটু শান্তির নিঃশ্বাস পেতে।
ভালোবাসার স্নাত আবহে শিশির কণা যেমন কচি ঘাসের ডগায় চুম্বণ বসায়।
আমিও চাই তোমার সেই কপালে,
প্রতীকির ভাষায় ভেসে যেমন চোখের ঈশারায় প্রেমালাপ হয়।
তেমনি সজীবতার মোহকাশে বিলীন হয়ে যেতে।
ভালোবাসা তো তোমার পরশ পানে নিমজ্জিত,
তাই তো চেয়ে থাকি পাথেয় পথিক বেশে,
নক্ষত্র যেমন গগনের আলোকতা’কে আপন করে বাঁচে,
আমিও তেমন তোমার মোহের নিভৃত রেষ প্রতিনিয়ত শ্বাস-প্রশ্বাসে।
তোমার প্রতি টান-ই আমাকে বাঁচতে শেখায় ভূবনে,
যেখানো আবেগের ভালোবাসা পাই তোমার পানে।
উদ্বুদ্ধ হয় তোমার কথনে, যেন বাজে নিভৃত কর্ণের গোচরে,
মেলামেশার আবেগি সত্ত্বায় ভালোবাসা বাস্তবের আবহে।

“আগমনি”

মা আসছে বলে চুপ থাকা যায় কি,
বছরের পর মায়ের দেখা বেদনা কত বৈকি।
চেয়ে থাকি আবেগের বশে এবার আসবে মা।
দিনের পর দিন যায় সময়ের লীলায় তবুও মা আসে না।
মায়ের দেখা পাবো বলে নতুন সজ্জায় শরীরে পরে,
যাবো সবাই ঢাক-ঢোল তানে মাকে প্রণাম করবো দু হাত করজোড়ে।
তিনিই মাতা তিনিই শক্তি স্বরূপা, তিনিই জগদম্বিনী।
আমাদের অসুর বিনাশ করতে এসেছেন মাতৃরূপিনী!
এবার যতই বাঁধা আসুক মা আসবে চিরতরে,
মহামারি থাকুক বলে মা কি আসবে না তার ঘরে।
যতই অভাব হোক না কেন মহামারি নিঃশ্ব হবে,
মা এলে সবই নিধন করবে সে শেষ নিধনে!
তোমার আগমনে শত ভক্তি তোমারই চরণতল পদকতলে,
আজীবন পাশে থেকো মা ভক্তিরূপি সর্বক্ষণে।
তোমার পরশে সুখ-দুঃখ মাগো ম্লান সন্নিবেশে,
তোমার আগমনি বার্তা পেয়ে এসেছি তোমার মহা-মন্ডোপে!
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।