যে মানুষ গুলো এখন টিকা নিতে যায় করোনার মহামারিতে ভীর ঠেলে, জটলার ভেতরে আরও জটলা পাকায়, তবুও এখন টিকা চাই, পৃথিবীতে টিকে থাকতে হবে, জীবন সাজাতে বেঁচে থাকতে হবে, জীবন রাঙাতে বেঁচে থাকতে হবে!
এই মানুষ গুলো আবার লকডাউনে,সাটডাউনে কখনোও সরকারের বিধি নিষেধ অমান্য করে উৎসবে, প্রয়োজন কখনোও বা অকারণে
প্রিয়জনের কাছে যেতে জীব মৃত্যুর
সন্ধিক্ষণে ঝুঁকি নিয়েছে বারবার!
মানুষে মানুষে গাদাগাদি, মানুষের ভীড়ে এক পা ফেলার জায়গা নেই, নেই স্বাস্হ্যবিধি, নেই ঠিকঠাক মতো মুখে মাস্ক, নাসিকায় নাসিকায় নিঃশ্বাস পড়ে একে অপরের নাকে মুখে। তবু যেতে হবে জীবন যুদ্ধে
পাড়ি দিতে হবে সুদীর্ঘ পথ।
নেই গাড়ি, নেই ঘোড়া,নেই রথ
তবু গন্তব্যে পৌঁছতে মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে পাড়ি দিবে এই ভয়ঙ্কর পথ!
কাগজে, অনলাইন ও স্যাটেলাইট চ্যানেলে কিম্বা,
সোসাল মিডিয়ায় খবর আসে টিকার লাইন নয় এ যেনো ফিরে এসেছে ভোটের উৎসব!
দেখে ভালো লাগে অনেক মানুষ এক সাথে বাঁচার তাগিদে এক সাথে লড়ে।
তবে ভুলে গেছি সেই কবে কীভাবে ভোট হয়, জানি না এখন!
ভোটের উৎসবেও কেউ মাতে না এখন,
উৎসবই বা বলি কী করে?
যেখানে এখন সব ভোটার যায় না ভোট দিতে, সেটা উৎসবই বা হয় কী করে?
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে, গণতন্ত্রকে সাজাতে, গণতন্ত্রের সুরক্ষায় এমন করে ভোটারের ঢল যদি আবার আসতো নেমে !
দেশেও ফিরে আসতো সকল স্তরে জবাবদিহিতা,আসতো ফিরে শুদ্ধাচার, জনগণই হতো উন্নয়নের রূপকার, মানুষ পেত হাজার হাজার অন্যায়ের প্রতিকার।
মানুষ পেত সুষ্ঠু বিচার, হতো না আর কোন অনাচার, এমনি প্রত্যাশা কোটি মানুষের মাঝে ফিরে আসুক ভোট কিম্বা সকল উৎসবে বারবার।
তেমনি জয় বাংলা যেমন আমার অহংকার, দেশটাও তো সবার, তেমনি ফিরে আসুক নিজ দেশে কিম্বা অন্য কোন ভিন দেশে যেমন প্রয়োজন তাঁদেরও ভোটের এই উৎসবটা!
যেমন তাগিদ আছে সবার মাঝে জীবনে বেঁচে থাকার।