সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে তুলি রায় (পর্ব – ৩)

নামকরণ
ঘটমান যাহাকিছু তাহাতে জীবনের সংযোগ কতখানি? কত ঘটনা তো এমনিই ঘটিয়া চলে। ক্ষণিক রেখাপাত করিয়া হাঁটিতে থাকে আপন কক্ষপথে। যাবর গতিতে কখনও আসিয়া আবার উপস্থিত হয় সম্মুখ পানে। হৈমন্তিকা দুপুরের আলসে রোদের চাদরে
শীত নামিলে জমা কথারা কলকলিয়া উঠে,বলিতে থাকে তাহাদের কথা। সেইসব কৃষি খামারের কথা, ফসল ভরা দিনের কথা, সাজি ভরা ফুলের কথা…
সব গল্পই একদিন শেষ হইয়া যায়, নতুন গল্পের জন্ম লইবার ত্বরে। হইার পর রাত্রির অন্তিম প্রহর আসিলে স্বপ্নেরা নামিয়া আসে। মনেমনে বলিয়া যায় সেই-সব প্রশ্নের কথা – যাহা সুপ্ত ছিল কোন একখানে। উত্তরে যাহা মেলে তাহা কোন অংশেই খাটো নহে। জীবন একটি খাতার নাম বহন করিয়া চলে। প্রতিটি পৃষ্ঠা ছেড়ে যায় অজস্র নামকরণের চিহ্ন। কিছু মিলে যায়, কিছু মিলাইয়া যায়। নতুন পৃষ্ঠা প্রতি মুহূর্তে লিখিত হইয়া মিলাইয়া যায়। কাটাকুটির ঘর জুড়িয়া শূন্য ও কাটাকুটি। এই ক্ষনে লিখিত আবার অলিখিত। মৃত্যু সত্য হইলে জীবন ও সত্য। ইহা যে কতবার লিখিত হইয়াছে তাহার ইয়ত্বা নাই। তবু রহস্য ভেদিবার তরে বারবার আসিয়া দাঁড়ায়। আমরা দরজা বন্ধ করি বারবার, তবু তাহা খুলিয়া যায়…