ধারাবাহিক প্রবন্ধে তপশ্রী পাল (পর্ব – ৪৯)

আলাপ

শেষ যে শাস্ত্রীয় নৃত্যের কথা আলাপের পাতায় বলব, সেটি হল কুচিপুরী, আমার অন্যতম প্রিয় নাচ আর যে জন্য এই নাচ এত প্রিয় তাঁর বা তাঁদের কথা বলব বলেই এই নাচের কথা বলা। তাঁরা হলেন বিখ্যাত কুচিপুরী শিল্পী রাজা ও রাধা রেড্ডি। তাঁদের কথা বলার আগে কুচিপুরী নাচের কথা খানিকটা বলে নিতেই হবে।
অন্যান্য ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের মত কুচিপুরী নৃত্যেরও আদিতে সেই নাট্যশাস্ত্র। ভারতনাট্যমের জন্ম যেমন দক্ষিণভারতের তামিলনাড়ুতে, কথাকলির জন্ম যেমন কেরালায়, কুচিপুরী নৃত্যের আদি জন্মস্থান অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার কুচিপুরী গ্রামে। কুচিপুরী আসলে কুচিলাপুরম এর ছোট অপভ্রংশ। আবার এই কুচিলাপুরম কথাটি এসেছে সংস্কৃত কুশীলবপুরম থেকে। এই ‘কুশীলব’ হল নাটকের কুশীলব বা শিল্পী। কুচিপুরী নাচ প্রাচীন কালে নৃত্যনাট্যের আঙ্গিকে প্রদর্শিত হত। অন্যান্য শাস্ত্রীয় নৃত্যের মত কুচিপুরীরও বিষয়বস্তু হিন্দু ধর্মগ্রন্থের নানা কাহিনী, পৌরানিক কাহিনী ও লোককাহিনী। কুচিপুরী নাচে শৈব প্রভাব, বিশেষ করে শিবের তান্ডব নৃত্য এবং বৈষ্ণবীয় অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও লীলা সংক্রান্ত নানা কাহিনীর প্রভাব দেখা যায়। ভারতীয় নাট্যশাস্ত্রকে বিশেষভাবে অনুসরণ করে কুচিপুরী। এতে যে ভাবে রস, ভাব, অভিব্যক্তি, ভঙ্গিমা, অভিনয়ের কায়দা, মূল কিছু পদক্ষেপ, দাঁড়াবার ভঙ্গী বর্ণিত আছে, তা সম্পূর্ণভাবেই কুচিপুরীর অংশ। নাট্যশাস্ত্রে বলা হয়েছে যে আদি শাস্ত্রীয় নৃত্য ধর্মীয় ধারণা, গুণাগুণ এবং ধর্মগ্রন্থের মূল ভাবকে প্রকাশ করে।
অন্ধ্রপ্রদেশের নৃত্যগীত এবং নৃত্যনাট্যের ঐতিহ্য অতি প্রাচীন। এমনকি খ্রীষ্টিয় দ্বিতীয় শতকে রচিত নাট্যশাস্ত্রে ভরতমুনী ভারতের অন্ধ্র অঞ্চলে সেই সময়ের নারী পুরুষের সুন্দর চলনের কথা উল্লেখ করেছেন এবং একে “কৈশিকী বৃত্তি” নামে অভিহিত করেছেন। নাট্যশাস্ত্রে সেই সময়ের একটি রাগের উল্লেখ পাওয়া যায় যার নাম “অন্ধ্রী”। এটি এই অঞ্চলে উদ্ভুত একটি রাগ।
খ্রীষ্টিয় দশম শতকে, অন্ধ্র অঞ্চলের বিভিন্ন তামার শিলালিপিতে দেখা যায় এই নৃত্যে শিবের রুদ্ররস সম্বলিত নৃত্য ও তান্ডব নৃত্যের নানা মুদ্রা। এইগুলিকে সেই সময় ব্রাহ্মণ মেল বা ব্রহ্ম মেল বলা হত। কারণ সেই সময় নৃত্যনাট্যের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা ব্রাহ্মণ ছিলেন। এরপর ভক্তি আন্দোলনের সময় বৈষ্ণবীয় ভাবধারার প্রভাব পড়ে এই নাচে এবং সেই সময় ভক্তদের ভগবতালু বলা হত অন্ধ্রপ্রদেশে।
কুচিপুরী নাচ আরো ভালভাবে প্রচলিত হয় খ্রীষ্টিয় ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে যখন কলিঙ্গ থেকে গঙ্গা বংশের শাসকেরা অন্ধ্রপ্রদেশ শাসণ করতে শুরু করেন এবং কুচিপুরী
করতে শুরু করেন এবং কুচিপুরী নাচের বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা করেন। জয়দেবের গীতগোবিন্দের ওপর নির্ভর করে নৃত্যগুলি রচিত হত। রাজার পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়াতে সেই সময় অনেক কবি এবং নৃত্যনাট্য শিল্পী রাধাকৃষ্ণকে উপজীব্য করে কুচিপুরী নৃত্যের নাট্যাংশ গুলি রচনা করতে লাগলেন। এগুলিকে বৈষ্ণব ভগবতালু বলা হত।
আধুনিক কুচিপুরী নৃত্য সপ্তদশ শতকে দুজন মূলতঃ প্রচলন করেন। তাঁরা হলেন অদ্বৈত বেদান্ত মতের সন্ন্যাসী তীর্থ নারায়ণযাতি এবং তাঁর শিষ্য তেলেগু ব্রাহ্মণের অনাথ পুত্র সিদ্ধেন্দ্র যোগী। প্রথম জন “শ্রীকৃষ্ণ লীলা তরঙ্গিনী” রচনা করেন এবং দ্বিতীয় জন “ভামা কল্পম” রচনা করেন। সিদ্ধেন্দ্র যোগী ভামা কল্পম রচনার পর সেটি অভিনয়ের জন্য যোগ্য শিল্পী পাচ্ছিলেন না। তখন তিনি কুচিপুরী গ্রামে যান এবং সেখানে কয়েকজন ব্রাহ্মণ পুত্রকে কুচিপুরী নৃত্যশিক্ষা দিয়ে তাঁদের দিয়ে এটি অভিনয় করান। সেটিই প্রথম আধুনিক কুচিপুরী নৃত্যনাট্য হিসাবে বছরে একবার অভিনীত হত।
ষোড়শ শতাব্দীতে বিজয়নগর রাজারা শিল্প সংস্কৃতির বিশেষ পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তাঁদের সভায় কুচিপুরী নৃত্য প্রদর্শিত হত। ক্রমে অন্ধ্র অঞ্চল মুসলমান অধিকারে চলে আসে এবং সুলতানদের দ্বারা শাসিত হয়। তখন কুচিপুরী নৃত্যশিল্পীরা আরো দক্ষিণে তাঞ্জোরে চলে যান। সেখানে হিন্দু রাজা অচ্যুতাপ্পা নায়ক শিল্পীদের জমি ও বসবাসের জায়গা দেন এবং শিল্পীদের একটি বড় অংশ তাঞ্জোরে বসবাস করতে শুরু করেন। তবুও কুচিপুরী গ্রামে দু চারজন শিল্পী ছিলেন।
সপ্তদশ শতাব্দীতে কুচিপুরী নৃত্যশিল্প প্রায় মৃত অবস্থায় পৌঁছায়। কিন্তু গোলকোন্ডার শেষ শিয়া মুসলিম সুলতান আবুল হাসান তানি শাহ একবার কুচিপুরী নৃত্য দেখে মুগ্ধ হন এবং কুচিপুরী গ্রামের আসেপাশে এই শিল্পীদের জমি দান করেন যাতে এই নাচ প্রচলিত থাকে। কিন্তু এরপর এই সুলতানী রাজত্বের পতন হয় এবং এই অঞ্চল মুঘল সম্রাট ঔরংজেবের শাসণে আসে। তিনি নৃত্যগীতকে ইসলাম বিরোধী ঘোষণা করেন এবং অন্যান্য নৃত্যগীতের মত কুচিপুরীও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তী ইংরাজ শাসণকালেও খ্রীষ্টান মিশনারিগণ ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য ও মন্দির নৃত্যকে অপবাদ দেয় এবং তার ফলে এই নাচ বন্ধ ও প্রায় বিলুপ্ত হতে বসে। এর বিরূদ্ধে বিশাল প্রতিবাদ গড়ে ওঠে। বেদান্ত লক্ষ্মীনারায়ণ শাস্ত্রী ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ থেকে কুচিপুরী এবং ভারতনাট্যমকে আবার নতুন ভাবে তৈরী করে পুনরুদ্ধারে বিশেষ ভূমিকা নেন। ১৯২০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে বালাসরস্বতী এবং অন্যান্যরাও ভারতনাট্যম ও কুচিপুরী নৃত্য আবার নতুন করে প্রচলনে ব্রতী হন।
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তিনজন বিশেষ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্ব বেদান্তম লক্ষ্মীনারায়ণ শাস্ত্রী, ভেমপতি ভেঙ্কটনারায়ণ শাস্ত্রী এবং চিন্তা ভেঙ্কটরামাইয়া শাস্ত্রী কুচিপুরী নাচকে নতুন ধারায় নতুন করে প্রচলন করার পিছনে প্রচুর প্রচেষ্টা করেন। তাঁরা মঞ্চে জনসাধারণের সামনে কুচিপুরী নাচের প্রচলন করেন। ভারতীয়
নারীদের কুচিপুরী নৃত্যশিক্ষা দান করে তাঁদের একক নৃত্যের প্রচলন করেন এবং ভারতনাট্যম ও কুচিপুরীর মধ্যে নানা ধরণের মিল ও পার্থক্য এবং একটির কোরিওগ্রাফি থেকে অন্যটিতে নতুনত্ব নিয়ে আসা ইত্যাদি কাজকর্ম করেন। তাঁরা এই নাচের জন্য ওয়ার্কশপ এবং সেমিনার ইত্যাদির আয়োজনও করেন, যাতে বিদেশী শাসকরা এই নাচ সম্বন্ধে উৎসাহিত হন এবং জানতে পারেন। ক্রমে বেশ কয়েকজন বিদেশী নৃত্যশিল্পী, যেমন এস্থার শারম্যান ১৯৩০ সালে ভারতে আসেন এবং এই নাচগুলির প্রচলনের জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা শুরু করেন। তাঁর নতুন নাম হয় রাগিনী দেবী। বিংশ শতাব্দী দ্বিতীয়ার্ধে এই নাচ আবার তাঁর পুরোনো আদর ফিরে পায়। ভেমপতি চিন্না সত্যম কুচিপুরী শিক্ষার জন্য নৃত্য বিদ্যালয় গড়ে তোলেন যেখানে যামিনী কৃষ্ণমূর্তি , হেমা মালিনী প্রভৃতি অনেকেই এই নাচ শেখেন। এই কাজের জন্য তিনি পদ্মভূষণ উপাধী লাভ করেন।

নৃত্য আঙ্গিকঃ কুচিপুরী একটি দলগত নৃত্য। হিন্দুধর্ম, তার দেবদেবী, শাস্ত্র, পুরান, ধর্মগ্রন্থের নানা অংশের গল্প, নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইত্যাদিই এই নাচের উপজীব্য। এই নৃত্য পুরো মঞ্চ জুড়ে নাচা হয়। যথেষ্ট পায়ের কাজ থাকে। গল্পটি ফুটিয়ে তোলা হয় চোখের, হাতের ও মুখের নানা ভঙ্গিমা ও মুদ্রা দিয়ে ও নানা ইঙ্গিতে। এই ভঙ্গিমাগুলির সঙ্গে ভারতনাট্যমের বিশেষ মিল আছে, যেমন অর্ধমন্ডলী বা অর্ধেক বসা ভঙ্গীটি। প্রাচীনকালে কুচিপুরী নাচতেন শুধু পুরুষেরা। তাঁরাই নারী সেজে নারীর ভূমিকায় অভিনয় করতেন। পরে নারী শিল্পীরা এই নাচ শেখেন ও দলে আসেন। ক্রমে নারীদের সংখ্যাই বেড়ে যায় এবং এমনও হয় যে নারীরাই পুরুষের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
অন্যান্য শাস্ত্রীয় নৃত্যের মতোই এর তিনটি মূল অংশ। নৃত্ত, নৃত্য এবং নাট্যম।
নৃত্ত অংশটি বিশুদ্ধ নাচ। এতে কোন গল্প বা নাট্যাংশ থাকে না। বাজনার তালে তালে নানা ধরণের চলন, দেহ আন্দোলন, পায়ের কাজ, হস্তমুদ্রা সহযোগে দ্রুত ছন্দে চলে নাচ। এর আবার কতগুলি ভাগ থাকে, যেমন দারুস, জাতিস, জাতিস্বরম, তিরমানস, তিল্লান্নাস প্রভৃতি।
নৃত্য অংশ তুলনামূলকভাবে ধীর। এতে গল্প থাকে। সঙ্গীত বা পদের সঙ্গে হস্ত ও পদ এবং মুখভঙ্গিমার মাধ্যমে নানা ভাবের প্রকাশ করা হয়। এর বিভিন্ন অংশগুলি হল পদম, বর্ণম, শব্দম, শ্লোক ইত্যাদি।
নাট্য একটি দলগত প্রদর্শন। এতে বিভিন্ন শিল্পী গল্পের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন। এক একটি বিশেষ ধরণের দেহমুদ্রা এক একটি চরিত্রকে বিশিষ্ট করে।
কুচিপুরী সন্ধ্যাবেলা প্রদর্শিত হয়। প্রাচীনকালে গ্রামে সবাই মাঠ থেকে ফেরার পর মন্দির চত্ত্বরে এই নাচ
হলুদ মশালের আলোয়।
গণেশ বন্দনা করে পূর্বরঙ্গ দিয়ে নাচের সূচনা হয়। তারপর একে একে নৃত্যশিল্পীরা প্রবেশ করেন এবং প্রত্যেক চরিত্রের সঙ্গে পরিচয় করানো হয়। এক এক চরিত্রের জন্য এক একটি রঙ মশালের ওপর ফেলে নাটকীয়তা তৈরী করা হয়। এরপর সেই চরিত্র একটি ছোট নাচ করেন, যাকে প্রবেশ দারু বলা হয়। পিছনে সঙ্গীত শিল্পী সেই চরিত্রের ভূমিকা বর্ণনা করেন সঙ্গীতের মাধ্যমে।
পরিচালক সম্পূর্ণ সময় সাধারণত মঞ্চে হাজির থাকেন।
এরপর একে একে নৃত্ত, নৃত্য ও নাট্য অংশগুলি প্রদর্শিত হয়।
নৃত্য অংশে ‘শব্দম’ হল একক নৃত্য যার সঙ্গে কবিতা, কাব্য বা গদ্য পাঠ হতে পারে। ‘বর্ণম’ অংশে মূকাভিনয়ের সঙ্গে নৃত্য প্রদর্শিত হয়, যাতে বিভিন্ন রস প্রকাশ করা যায়। ‘পদম’ অংশে গভীর অনুভূতি বা ভালবাসা প্রকাশ করা হয়।
‘কাভুতভাম’ কুচিপুরীর একটি বিশেষ অঙ্গ, যেটি নৃত্ত বা নৃত্য অংশে প্রদর্শিত হতে পারে যেখানে নৃত্যে নানা ধরণের মল্লক্রীড়াও অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে একক নৃত্যশিল্পী মাথায় একটি ঘট বা পাত্র ব্যালান্স করে নাচেন। কখনো বা তিনি একটি থালার ওপরে উঠে থালার কাণায় পা রেখে থালাটিকে নড়ান এবং নিজেও তালে তালে পদসঞ্চার করেন। অনেক সময় পা আলতায় ডুবিয়ে একটি সাদা কাগজের ওপর এমন ভাবে পদসঞ্চার করেন, যাতে কাগজটিতে একটি পাখী বা ফুল অথবা গণেশের ছবি ফুটে ওঠে এবং নৃত্য শেষে দর্শকদের সেটি দেখানো হয়।
পোশাকঃ এই নৃত্যে পুরুষ শিল্পীরা অগ্নিবস্ত্র বা বগলবন্দী পরেন, যা একটি ধুতি যা কোমর থেকে সামনে একটি কুঁচি দিয়ে পরা হয়। মহিলা শিল্পীরা শাড়ি পরেন ও হালকা প্রসাধণ করেন। বর্তমানে মহিলা শিল্পীরা দক্ষিণ ভারতীয় নানা ধরণের সিল্কের শাড়ি, যেমন কাঞ্জিভরম পরেন। সামনের অংশে কুঁচি একটি পাখার মত খুলে যায়। কোমরে ধাতুর একটি কোমরবন্ধনী থাকে। ভারতনাট্যমের মতোই কুচিপুরী শিল্পীও খোঁপা বাঁধেন, তবে বাঁধার ধরণ আলাদা। খোঁপায় ফুল ব্যবহার করেন। খোঁপায় সূর্য বা চাঁদের চিহ্ণ থাকে। সিঁথিতে, গলায়, কানে, হাতে গহনা পরেন মহিলা শিল্পীরা। পায়ে চামড়ার ঘুঙ্গুর ব্যবহৃত হয়।
যন্ত্রঃ এই নাচে সিম্বাল, বেহালা, মৃদঙ্গ, তানপুরা, বাঁশী ইত্যাদি ব্যাবহার হয়। কুচিপুরী নাচে একজন পরিচালক থাকেন, যাকে সূত্রধর বলা হয়। তিনি সাধারণতঃ তালে তালে সিম্বাল বাজান এবং শ্লোকগুলি পাঠ করেন। এ ছাড়াও আর একজন কন্ঠশিল্পীও থাকতে পারেন।

এই নাচে অনেক বিখ্যাত শিল্পী আছেন। কিন্তু আমি আলাদা ভাবে বলব রাজা, কৌশল্যা ও রাধা রেড্ডির কথা যারা এই নাচ নিয়ে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং একে শিল্প উৎকর্ষের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।