কবিতায় তপন মন্ডল

প্রতিবাদ
প্রতিবাদ! সে আবার কেমন ভাবনা!
সমাজ বিভ্রান্ত।
কুন্ডুলী ধূমে নিশ্চিন্তে বসে দুর্বৃত্ত ছড়ায় বিষাক্ত ধোঁয়াশার কণা।
ধূমায়িত সমাজে নৈতিকতার পাঁজরে করাল আঘাত।
সৎ সাহসী প্রতিবাদী মানুষের যে, আজ বড়ই অভাব!
ভয়াবহ অনৈতিকতার সাথে সুবিধাভোগীর
আপোষের মহান উৎসবে নামেমাত্র শিক্ষিতের আলাপচারিতা।
চলেছি ছুটে জোনাকি পোকার মত সর্বগ্রাসী আগুনের সাক্ষাৎ পেতে।
মিথ্যা মানবপ্রেম!
আদর্শের সহানুভূতির মোড়কে দানবের ভয়ঙ্কর অভিলাষ।
সর্বনাশীর কি বীভৎস তান্ডব?
তরুণের মদের মাদকতায় স্তব্ধ ইন্দ্রপুরীর ইন্দ্র সভা।
তাদের উজ্জিবিত স্বপ্নরা মৃত্যুর তাণ্ডবে মত্ত।
হায় সত্যভাষী!
আজ তোমার কন্ঠে কাঁটাতারের অদৃশ্য সীমারেখা।
তাই কি কাঁদ নিরবে নিভৃতে!
অন্যায়ের বাহুবলে দ্রৌপদীরা নির্যাতিত।
কেবলই চায় ফিরে আসুক সেই উলঙ্গ আদিম!
তাই বুঝি শণিত হাতের নিয়ন্ত্রণে নিষ্পাপ জীবন্ত শিশুর কঙ্কাল!
চাই প্রতিবাদ!
অনলাইন ক্যানভাসে সূক্ষ্ম যুক্তি তর্কের মহা মহড়া।
তবুও নেই প্রতিকার।
আরও একটি মনিপুরী ঘটনার অপেক্ষায়!
সহস্র প্রদীপের আলো জ্বালিয়ে সাময়িক মৌনব্রত।
ঘোর কাটলে তমসিক আহারের স্বাদে
বিলীন হয় প্রতিবাদের সূক্ষ্ম চৈতন্য ভাব।