কবিতায় তপন মন্ডল

আরও এক নির্ভয়া
কর্মে কোন নেই ফাঁকি
দায়িত্ব পালনে হাজারো ঝুঁকি।
মূমুর্ষূ রোগীর আবদার
মেটাতে মেটাতেই যায় সাল।
নিজে কষ্ট বুকে চেপে হাসে একগাল।
হঠাৎ পড়ল চোখে ,
মানব বিরোধী সুক্ষ সুক্ষ বিষাক্ত রক্তবীজ।
ষড়যন্ত্রকারী যে বড়ই নীচ।
মধ্য রাতের নিস্তব্ধতা।
ক্লান্ত শরীর চায় ঘুমের স্বাধীনতা।
হাড় হিম করা ভয়ানক যন্ত্রণাদায়ক চিৎকার!
ক্ষণকাল প্রহরী করলো বন্ধ দ্বার।
দেহখানি হল হিম
মধ্যযুগীয় বর্বরোচিত শখ মিটিয়েছে জালিম।
আর নেই কোন কর্ম, নেই কোন দায়িত্ব
নিথর দেহখানি পড়ে চির- শায়িত।
হায়! কি নিষ্ঠুর।
চারিদিকে হাহাকারের সুর।
দুর্বলের কেড়েছে প্রাণ
দুর্বৃত্ত অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দোষ
বাঁচিয়ে রাখতে চায় নিজ মান।
কিন্তু না!
জেগেছে ভারত, জেগেছে মানব।
বিচারের দন্ডে একদিন জব্দ হবে দানব।